অলস ও বঙ্গীয় বেকারগন

  • 1
  •  
  •  
  •  
    1
    Share

বিজয় / অভ্রতে বাংলা লিখতে পারে। এমন এডমিন এসিসট্যান্ট পাওয়া যায় না। ফেসবুক পেইজ ম্যানেজ করতে গিয়ে গুছিয়ে একটা মেসেজের রিপ্লাই দিতে পারে, বেসিক ওয়ার্ড, এক্সেল ব্যবহার করতে পারে। এইটুকু দক্ষ ছেলে মেয়ে পাওয়া যায় না। ফোন রিসিভ করে সঠিক কার্টেসি মেইন্টেইন করে কথা বলতে পারে। এমন লোকেরও অভাব। প্রোডাক্ট ডেলিভারী দিতে গিয়ে কাস্টমারের সাথে সুন্দর করে কথা বলে তাকে কনভিন্স করতে পারে। এমন লোকও খুব একটা দেখিনি। প্রোডাক্ট প্রমোশনের জন্যে প্রফেশনাল এপ্রোচের বিপিও পাওয়া ভাগ্যের ব্যাপার। অথচ, চারিদিকে তাকালে বেকারের অভাব নেই। কাজ চাই, কাজ নাই। রবে সবাই সরগরম। এই প্রজন্ম নিজেদের দক্ষতা উন্নয়নে বিন্দুমাত্র সচেতন নয়।

এদিকে ছোট বড় প্রতিষ্ঠানগুলোর লোকবল তো লাগেই। তারা তখন এইসব অদক্ষ, আধাদক্ষ লোকবল দিয়ে কাজ চালানোর চেষ্টা করে। তাতে করে প্রতিষ্ঠান তাদের কাঙ্খিত আউটপুট পায় না ফলে সেইভাবে রিটার্নও দিতে পারে না। আবার চাকুরীজিবীরাও তাদের প্রত্যাশার বিপরীতে প্রয়োজনীয় দক্ষতা প্রদর্শনে ব্যর্থ হয় যার দরুন ক্যারিয়ার গ্রোথ নিশ্চিত করতে পারে না। বিরাট একটা গ্যাপ। কিন্তু চাকুরী প্রত্যাশী এবং চাকুরীদাতা উভয়ের মধ্যে একটু যোগসূত্র স্থাপন করা গেলে, সবাই নিজ নিজ অবস্থান থেকে নিজের সার্বিক উন্নতি সাধনের লক্ষে কাঙ্খিত দক্ষতা প্রদান কিংবা অর্জনে কিছুটা বাড়তি এফোর্ড দিলেই কিন্তু অনেকটা ঝামেলা মিটে যায়।

বাড়ি বসে বড়লোক, লার্নিং আর্নিং কিংবা গৎ বাঁধা ফ্রিল্যান্সিং ক্যারিয়ার তো সবার জন্যে নয়। তাছাড়া এর প্রায় সবই অলীক কল্পনা ছাড়া কিছু নয়। পরিশ্রমের কোন বিকল্প নেই। সাফল্যের কোন শর্টকাট নেই এবং দক্ষতা ছাড়া যোগ্যতার কোন দাম নেই। এগুলোই দিন শেষে চিরন্তন সত্য বচন। আমাদের মত ক্ষুদ্র উদ্যোক্তারা দক্ষ জনবলের অভাবে সবচেয়ে বেশি সাফার করে থাকি। কম বেশি টাকা তো আমাদের ব্যয় হয়ই কিন্তু কাঙ্খিত নূন্যতম দক্ষ লোক পাইনা ফলে আমাদের সিসটেম লস অনেক বেড়ে যায়। ভাবছি, নিজের প্রয়োজনেই এখানে কিছু কাজ করতে হবে। পথ না পেলে পাহাড় কিংবা জঙ্গল যাই হোক না কেন, সেখানে পথ তৈরী করে নেয়াই উদ্যোক্তার ধর্ম।

১২/০৫/২০২০, ১১.০৫ PM

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *