আমরা ফিরব কবে

  •  
  •  
  •  
  •  

বলো না কি অপরাধে?
বলো কি আশায়?
আমাকে কাঁদালে তুমি বিরহ ব্যথায়!

“সাপকে বিশ্বাস করো তবু নারীকে না” – এই কথাটি কতটুকু সত্য তা জানি না। তবে একটি মেয়ে কখন বিশ্বাসঘাতকতা করে তা কি একটিবারের জন্যও আমরা জানার চেষ্টা করেছি? প্রেমে ব্রেকআপ হলেই ছেলেটি মেয়েটিকে দোষা দেয় আর মেয়েটি ছেলেটিকে! ব্রেকআপ হওয়ার কারনটি কেউ জানে না কিন্তু কার দোষ কতটুকু তা উভয়েই মনে রাখে, সুখের কাহিনী ভুলে গিয়ে কষ্টের কাহিনী মনে রাখে। কিন্তু একটি ব্রেকআপের পিছেনে মূলত কী ঘটনা লুকিয়ে আছে সেটা যদি কেউ বের করতে পারতো তবে আশি ভাগ প্রেম পুনরায় জোড়া লাগতো। কথায় আছে প্রেম হলো পাবলিক টয়লেটের মতো। যে বাইরে থাকে সে ভিতরে ঢোকার জন্য ছটফট করে আর যে ভিতরে থাকে সে বাইরে আসার জন্য লাফালাফি করে! আত্নউপলব্ধি, যে কোন কাজ করিবার পূর্বে ভাবিতে হয় করিবার পর ভাবিলে তাহা বৃথা যায়। তাই সমস্যা নিয়ে দুশ্চিন্তা না করে সমাধান নিয়ে চিন্তা করাই বুদ্ধিমানের কাজ।

হাসনাহেনা, কামেনী, আর বকুলের গন্ধে পাগল হয়ে পথ ভুলে যাওয়া রমণী হঠাৎ করে পথ চিনে যায়। হাসি খুশি মায়াবী চোখ অভিমানে জলে ভরে ওঠাও যেন একেবারে ছেড়ে দেয়। অন্ধকারে ভয় পেয়ে মুখ লুকানোর জন্যে কেউ একজন পাশে থাকুক- সেই মেয়েটা আজ আর তা একদম চায় না। হয়তো চায়না ছেলেটাও। সময়ের গতিতে হঠাৎ করে ষোড়শী প্রেমের আভা বিলীন হয়ে যায়। আচমকা আসা দমকা বাতাসে সে বুঝতে শিখে যায় অবহেলা আর ভালোবাসার পার্থক্যটা কতটুকু। তারপর বড় সহসা কি যেন হয়ে যায় তার। ডানামেলে আকাশে উড়ে বেড়ানো মনটা আকস্মিক ভাবে খেয়াল করে তার ডানা নেই। খুব সহজে একটা সময়ের ব্যবধানে সে বুঝতে পারে চির চেনা সুর গুলো তার নয়। সমুদ্র স্রোতে হঠাৎ কাছে পাওয়া ঝিনুকটা আবার সমুদ্র স্রোতেই মিলিয়ে যায়। তবু পথ চলা থামে না। কামেনীর গন্ধে আর পথ ভুল হয় না, সমুদ্র স্রোতে ভেসে আসা ঝিনুকটা সে আর কুড়ায় না। সময়ের ব্যবধানে ষোড়শীটাকিংবা কিশোর আকস্মিক ভাবে অনেকটা বড় হয়ে যায়।

১৩/০৭/২০২০, ১১.৪০ PM

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *