ছেলেবেলার আঁকি-বুঁকি

  • 1
  •  
  •  
  •  
    1
    Share

ছোট বেলায় প্রাকৃতিক দৃশ্য আঁকার ঝোঁক ছিলো। কিছু না পেলেই প্রাকৃতিক দৃশ্য আঁকতে বসে যেতাম। ছবিতে থাকতো একটা বড় ঘড়। তারপাশে ছোট ছোট আরো কিছু ঘর। বড় ঘড়ের পাশে কিংবা পেছনে একটা বিশাল আকারের গাছ। পাশে কূপ অথবা টিউবওয়েল। তার পাশে একটা খড়ের পুঁজি। কিছু লম্বা সুপারি গাছ আর খেজুর গাছ। একদিকে কলা গাছ। বাড়ির একপাশে বাঁশের বেড়া। তারপর বিস্তীর্ণ ফসলের মাঠ। মাঠের মাঝ দিয়ে সরু মেঠো একলা পথ দূরে গিয়ে মিশেছে। দূরে কাগজের একমাথা থেকে আরেক মাথা পর্যন্ত সবুজ গাছ। সামনে দিয়ে নদী এঁকেবেকে দূরে চলে গিয়েছে।

নদীর মাঝে দুদিকে দুটো চলমান পাল তোলা নৌকা। পাড়ে ভেড়ানো পাশাপাশি আরো দুটো নৌকা। নদীর পাড়ে কাশবন কাশফুল সহ নদীতে কিছু কচুরিপানাও ভাসাতাম। আকাশে কিছু পাখি থাকতো। আমার আঁকা দৃশ্যে কখনো সূর্য থাকতোনা। আমি আঁকতাম মেঘলা আকাশ। তাই কোনোকিছুর ছায়া পড়তো না। তবে কখনো কখনো সুর্য আর মেঘ এঁকে রংধনু এককোণে আঁকতাম। সুবিশাল অর্ধচন্দ্রাকৃতির ৫ রঙের রংধনু। কারণ আমি ৭ রঙের রংধনু দেখিনি। আঁকা শেষে পড়ার টেবিলের সামনের দেয়ালে স্কচটেপ দিয়ে লাগিয়ে রাখতাম। এখন কেউ আঁকে কিনা জানিনা। রংধনু দেখেছে কিনা তাও জানিনা। আমার সন্দেহ আছে নেক্সট জেনারেশান বইয়ে রেইনবো অর্থ রংধনু জানবে। দেখবেনা কখনো।

০৪/০৩/২০২০, ১১.২৮ PM

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *