পঁয়ত্রিশোর্ধ্বার পোস্টমর্টেম (দ্বিতীয় পর্ব)

  •  
  •  
  •  
  •  

তৃতীয় ধাপ – ফুট অন দ্যা ডোর
এই পর্যায়ে মূলত ইনবক্সে অথবা অন্যান্য মাধ্যমে এমন ভাবে আলাপচারিতা শুরু করা হয়, যেখানে ট্র্যাপার টার্গেটকে নিজের সম্পর্কে কথা বলতে সারাক্ষণ উৎসাহিত করে যায়। এই পর্যন্ত পৌঁছুতে পারলে ট্র্যাপার ধরে নেয় যে সে এমন একজনকে টোপ খাওয়াতে পেরেছে যার সঙ্গের প্রয়োজন আছে অর্থাৎ যিনি সঙ্গ চাচ্ছেন। এখন কথা হলো, টার্গেট এই পর্যায়ে আসছেন কিসের ভরসায়? আসলে শুরু থেকে অতি ভদ্রতা ও নিজ টাইম লাইনে দায়িত্বশিল বিভিন্ন পোস্ট ট্র্যাপারকে সন্দেহের উর্ধে রাখে।

উপরন্ত, ট্র্যাপারের সাথে যোগাযোগটা যেহেতু ভার্চুয়াল, এটাও একটা স্বস্তির কারন থাকে যে,
– “যাক, বেশি খারাপ কিছু হলে দেবো ব্লক করে। সমস্যা কি?”
কিন্তু যেটা নিয়ে উনি হয়তো সচেতন থাকেন না, তা হলো, সুই হয়ে ট্র্যাপারের অনুপ্রবেশটা। এই পর্যায়ে টার্গেটের নিজের কথা শেষ হলে ট্যাপার উৎসাহ দেখায় তাঁর সঙ্গি (স্বামী বা প্রেমিক) সম্পর্কে জানতে। নিজের কথা বলতে উৎসাহ দেয়াটা মূলতঃ আইস ব্রেকিং। কিন্তু সঙ্গির সম্পর্কে কথা বলানো অর্থাৎ সেই জানাটা কিন্তু তারচেয়েও বেশি কিছু।

চতুর্থ ধাপ – মেকিং এসেসমেন্ট এন্ড সিলেক্টিং কোর্স
এই পর্যায়ে ট্র্যাপার বোঝার চেষ্টা করে, টার্গেট কতটা উচ্ছ্বাস নিয়ে সঙ্গির কথা বলছেন। উচ্ছাসটা হতে পারে অতি উচ্চ থেকে নুন্যতম পর্যন্ত যেকোনো রকমের। যদি দেখা যায়, টার্গেটের উচ্ছ্বাস বেশ উচ্চ ধরনের, ট্র্যাপার যেকোন ইমিডিয়েট পদক্ষেপ পিছিয়ে দেয় কিন্তু তা বলে হাল কিন্তু ছাড়ে না। কথা বলানোর পর্যায়ে যখন টার্গেটকে আনা গেছে, কখনো না কখনো অন্য কোনো (আর্থিক বা সামাজিক) সুযোগ তাঁর কাছ থেকে পাওয়া যেন যায়, সেজন্য যতটা যোগাযোগ না রাখলেই নয়, সেটা চালিয়ে যেতে থাকে সে। পাশাপাশি চলে সুযোগের অপেক্ষা।

[চলবে]

১৫/০৯/২০২০, ১১.৪৫ PM

পঁয়ত্রিশোর্ধ্বার পোস্টমর্টেম (প্রথম পর্ব)

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *