পহেলা বৈশাখ বৃত্তান্ত

  •  
  •  
  •  
  •  

“এসো হে বৈশাখ,
এসো এসো…”

বাংলা ক্যালেন্ডার এর নাম “বঙ্গাব্দ” আর বছরের প্রথম দিন পহেলা বৈশাখ। এর ইতিহাস নিয়ে কিছু কথা লিখছি। পোস্ট টি করার কারন: কতিপয় ছাগু এবং গুটিকয়েক অতিমাত্রায় ঈমানদার দের মতে, এটা “বৈশাখী পূজা” মানে শুধু হিন্দুদের অনুষ্ঠান। তাদের জানামতে, পহেলা বৈশাখ কখনোই বাঙালী মুসলমানদের কালচার না। এটা নাকি বাঙালীদের উপর চাপানো হয়েছে। পাকি হুজুরদের চেতনা থেকে জানলে এমনটা জানাই স্বাভাবিক। দেখা যাক ইতিহাস কি বলে।

মুঘল সম্রাট জালাল উদ্দীন মুহাম্মদ আকবর (মুসলমান বাঙালী সম্রাট) ১৫৮৪ সালের ১০/১১ মার্চ “বঙাব্দ” নামের এই বাঙলা ক্যালেন্ডার চালু করেন। ১৫৮৪ তে শুরু হলেও হিসাব করা হয় ৫ নভেম্বর ১৫৫৬ থেকে (হিজরী ৯৬৩)। কারন ওইদিন আকবর পানিপথের দ্বিতীয় যুদ্ধে হিমু কে পরাজিত করে সিংহাসন লাভ করে।

আকবরের সময়কাল থেকেই পহেলা বৈশাখ উদ্‌যাপন শুরু হয়। তখন প্রত্যেককে চৈত্র মাসের শেষ দিনের মধ্যে সকল খাজনা, মাশুল ও শুল্ক পরিশোধ করতে হত। এর পর দিন অর্থাৎ পহেলা বৈশাখে ভূমির মালিকরা নিজ নিজ অঞ্চলের অধিবাসীদেরকে মিষ্টান্ন দ্বারা আপ্যায়ন করতেন। এ উপলক্ষ্যে বিভিন্ন উৎসবের আয়োজন করা হত। এই উৎসবটি একটি সামাজিক অনুষ্ঠানে পরিণত হয় যার রুপ পরিবর্তন হয়ে বর্তমানে এই পর্যায়ে এসেছে। তখনকার সময় এই দিনের প্রধান ঘটনা ছিল একটি হালখাতা তৈরি করা। হালখাতা বলতে একটি নতুন হিসাব বই বোঝানো হয়েছে। প্রকৃতপক্ষে হালখাতা হল বাংলা সনের প্রথম দিনে দোকানপাঠের হিসাব আনুষ্ঠানিকভাবে হালনাগাদ করার প্রক্রিয়া। গ্রাম, শহর বা বাণিজ্যিক এলাকা, সকল স্থানেই পুরনো বছরের হিসাব বই বন্ধ করে নতুন হিসাব বই খোলা হয়। হালখাতার দিনে দোকনদাররা তাদের ক্রেতাদের মিষ্টান্ন আপ্যায়ন করে থাকে। এই প্রথাটি এখনও অনেকাংশে প্রচলিত আছে, বিশেষত স্বর্ণের দোকানে।

আধুনিক নববর্ষ উদযাপনের খবর প্রথম পাওয়া যায় ১৯১৭ সালে। প্রথম মহাযুদ্ধে ব্রিটিশদের বিজয় কামনা করে সে বছর পহেলা বৈশাখে হোম কীর্ত্তণ ও পূজার ব্যবস্থা করা হয়। এরপর ১৯৩৮ সালেও অনুরূপ কর্মকান্ডের উল্লেখ পাওযা যায়। পরবর্তী সময়ে ১৯৬৭ সনের আগে ঘটা করে পহেলা বৈশাখ পালনের রীতি তেমন একটা জনপ্রিয় হয় নি।

কেন বাঙলা ক্যালেন্ডার চালু করলেন?
কারণ, সেই সময় দেশের অর্থনীতি সম্পূর্ণ কৃষি নির্ভর ছিল। আর প্রচলিত ছিল চন্দ্রবছর (হিজরী ক্যালেন্ডার)। হিজরী ক্যালেন্ডার অনুযায়ী কৃষকরা ট্যাক্স দিতে পারত না। কারণ বাঙলার আবহাওয়ার সাথে হিজরী ক্যালেন্ডার খাপ খায় না। তাই আকবর কৃষকদের সুবিধার কথা ভেবে, যে সময় নতুন ফসল ঘরে উঠে সেই সময় নতুন বছর শুরু করলেন। যাতে ট্যাক্স সবাই সচ্ছলভাবে দিতে পারে, আর ব্যবসায়ী রা হালখাতা শুরু করল। সুতরাং এটা শুধু হিন্দুদের নয় মুসলমান বাঙালীদের অনুষ্ঠান। সূচনাই হয়েছে মুসলমান সম্রাট এর হাত দিয়ে। বাঙালী দের উপর এটা চাপিয়ে দেওয়া হয় নাই। পাকিস্তান পিরিয়ড এ এটা মুসলমান বাঙালীদের থেকে কেড়ে নেওয়া হয়েছিল।

মুসলমান বাঙালীদের থেকে কেড়ে নেওয়া হয়েছিল কেন?
কারন, এটা ছিল হিন্দু মুসলিম সবার অনুষ্ঠান। পাকি পলিটিশিয়ানরা ষড়যন্ত্র করে এই কাজ করেছে। কারন, তারা পূর্ব পাকিস্তানের মুসলমান আর হিন্দুদের ঐক্য চায়নি। বিভেদ চেয়েছে, যাতে বাঙালী এক না হয়, আর স্বাধীনতার চেতনা না জাগে আর স্বাধীনতার শক্তি, মনোবল না পায়। ব্রিটিশরা এই পলিসির নাম দিয়েছিল, “Divide & Rule” In other words, those policies were meant to differentiate a Bengali Muslim from others and avoid a strong, joint movement for independence. এখনো যারা পাকি আদর্শ মানে, শুধু তারাই পহেলা বৈশাখ কে হিন্দু-মুসলিম থেকে আলাদা রাখতে চায়।

পহেলা বৈশাখ পালন আবার শুরু হয় ১৯৬৫ সালে। তখন ছিল ১৫ এপ্রিল। এরশাদ সেটা চেঞ্জ করে ১৪ এপ্রিল করে (লিপ ইয়ার মিলানোর জন্য)। সেই থেকে মুসলমান বাঙালী রা ১৪ এপ্রিল পহেলা বৈশাখ পালন করে। আর হিন্দু বাঙালী রা এখনো ১৫ এপ্রিল পহেলা বৈশাখ পালন করে। তার মানে, ১৪ এপ্রিল মুসলমান বাঙালী দের পহেলা বৈশাখ আর ১৫ এপ্রিল হিন্দু বাঙালী দের পহেলা বৈশাখ। সব বাঙালী দের আরো উতসুক ভাবে অংশগ্রহণের জন্য ১৯৮০ দশকের শেষের দিকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা বিভাগ ও বাঙলা একাডেমী মিলে “শোভাযাত্রা” চালু করে। এই খানেও হিন্দু মুসলিম নিয়ে কিছু নাই, বাঙালী নিয়ে কথা।

এটা যদি প্রকৃত পক্ষে হিন্দুদের পূজা/উৎসব হত, তাহলে, সমগ্র ইন্ডিয়ার সকল হিন্দুরা এটা পালন করত। তা কিন্তু করেনা। শুধু ইন্ডিয়ান বাঙালীরা পালন করে। মানে এটা হিন্দুদের কোন পূজা/উৎসব না। ধর্ম বর্ণ নির্বিশেষে সকল বাঙালী বিশ্বের সব জায়গা থেকে পহেলা বৈশাখ পালন করে। “পহেলা বৈশাখ বাঙালীদের উৎসব। হিন্দু-মুসলমান কারো ধর্মের সাথে এর কোন সম্পর্ক নাই। এটা ধর্মীয় না, জাতিগত উৎসব। আপনার ভালো লাগলে পালন করেন, আর ভালো না লাগলে করবেন না। আপনাকে পালন করতেই হবে, এমন জোর জুলুম তো কেউ করছে না, তাই না?

বাংলাদেশে বাংলা শুভ নববর্ষ বাপহেলা বৈশাখ উদ্‌যাপন –
নতুন বছরের উৎসবের সঙ্গে গ্রামীণ জনগোষ্টীর কৃষ্টি ও সংস্কৃতির নিবিড় যোগাযোগ। গ্রামে মানুষ ভোরে ঘুম থেকে ওঠে, নতুন জামাকাপড় পড়ে এবং আত্মীয়স্বজন ও বন্ধু-বান্ধবের বাড়িতে বেড়াতে যায়। বাড়িঘর পরিষ্কার করা হয় এবং মোটমুটি সুন্দর করে সাজানো হয়। বিশেষ খাবারের ব্যবস্থাও থাকে। কয়েকটি গ্রামের মিলিত এলাকায়, কোন খোলা মাঠে আয়োজন করা হয় বৈশাখী মেলার। মেলাতে থাকে নানা রকম কুঠির শিল্পজাত সামগ্রীর বিপণন, থাকে নানারকম পিঠা পুলির আয়োজন। অনেক স্থানে ইলিশ মাছ দিয়ে পান্তা ভাত খাওয়ার ব্যবস্থা থাকে। এই দিনের একটি পুরনো সংস্কৃতি হলো গ্রামীণ ক্রীড়া প্রতিযোগিতার আয়োজন। এর মধ্যে থাকে নৌকাবাইচ, লাঠি খেলা কিংবা কুস্তির। বাংলাদেশে এরকম কুস্তির সবচেয়ে বড় আসরটি হয় ১২ বৈশাখ, চট্টগ্রাম-এর লালদিঘী ময়দান-এ। এটি জব্বারের বলি খেলা নামে পরিচিত।

ঢাকায় রমনার বটমূলে ছায়ানটের বর্ষবরণ –
বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকা শহরে পহেলা বৈশাখের মূল অনুষ্ঠানের কেন্দ্রবিন্দু সাংস্কৃতিক সংগঠন ছায়ানট-এর গানের মাধ্যমে নতুন বছরের সূর্যকে আহবান। পহেলা বৈশাখ সূর্যোদয়ের সঙ্গে সঙ্গে ছায়ানটের শিল্পীরা সম্মিলত কন্ঠে গান গেয়ে নতুন বছরকে আহবান জানান। স্থানটির পরিচিতি বটমূল হলেও প্রকৃত পক্ষে যে গাছের ছায়ায় মঞ্চ তৈরি হয় সেটি বট গাছ নয়, অশ্বত্থ গাছ । ১৯৬০-এর দশকে পাকিস্তানী শাসকগোষ্ঠির নিপীড়ন ও সাংস্কৃতিক সন্ত্রাসের প্রতিবাদে ১৯৬৭ সাল থেকে ছায়ানটের এই বর্ষবরণ অনুষ্ঠানের সূচনা।

মঙ্গল শোভাযাত্রা –
ঢাকার বৈশাখী উৎসবের একটি আবশ্যিক অঙ্গ মঙ্গল শোভাযাত্রা। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা ইনস্টিটিউটের উদ্যোগে পহেলা বৈশাখে সকালে এই শোভাযাত্রাটি বের হয়ে শহরের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে পুনরায় চারুকলা ইনস্টিটিউটে এসে শেষ হয়। এই শোভাযাত্রায় গ্রামীণ জীবণ এবং আবহমান বাংলাকে ফুটিয়ে তোলা হয়। শোভাযাত্রায় সকল শ্রেণী-পেশার বিভিন্ন বয়সের মানুষ অংশগ্রহণ করে। শোভাযাত্রার জন্য বানানো নয় রং-বেরঙের মুখোশ ও বিভিন্ন প্রাণীর প্রতিলিপি। ১৯৮৯ সাল থেকে এই মঙ্গল শোভাযাত্রা পহেলা বৈশাখের উৎসবের একটি অন্যতম আকর্ষণ।

পার্বত্য জেলায়, আদিবাসীদের বর্ষবরণ –
বাংলাদেশের পার্বত্য চট্টগ্রাম এলাকার প্রধান তিনটি ক্ষুদ্রজাতিস্বত্তা রয়েছে যাদের প্রত্যেকেরই বছরের নতুন দিনে উৎসব আছে। ত্রিপুরাদের বৈশুখ, মারমাদের সাংগ্রাই ও চাকমাদের বিজু উৎসব। বর্তমানে তিনটি জাতিস্বত্ত্বা একত্রে এই উৎসবটি পালন করে। যৌথ এই উৎসবের নাম বৈসাবি। উৎসবের নানা দিক রয়েছে। এর মধ্যে একটি হলো মার্মাদের পানি উৎসব।

পশ্চিমবঙ্গে পয়লা বৈশাখ উদ্‌যাপন –
পশ্চিমবঙ্গে মহাসমারোহে সাড়ম্বরে উদযাপিত হয় বাংলা নববর্ষারম্ভ পয়লা বৈশাখ। বঙ্গাব্দের প্রথম দিনটিতে বিপুল উৎসাহ এবং উদ্দীপনার সাথে বর্ষবরণ অনুষ্ঠান আয়োজিত হয়ে থাকে সমগ্র পশ্চিম বাংলায়। বাংলার গ্রামীণ এবং নাগরিক জীবনের মেলবন্ধন সাধিত হয়ে সকলে একসূত্রে বাঁধা পড়ে নতুন বছরকে স্বাগত জানানোর আনন্দে। সারা চৈত্র মাস জুড়েই চলতে থাকে বর্ষবরণের প্রস্তুতি। চৈত্র মাসের শেষ দিন অর্থাৎ চৈত্র সংক্রান্তি বা মহাবিষুবসংক্রান্তির দিন পালিত হয় চড়কপূজা অর্থাৎ শিবের উপাসনা। এইদিনেই সূর্য মীন রাশি ত্যাগ করে মেষ রাশিতে প্রবেশ করে। এদিন গ্রামবাংলার বিভিন্ন অঞ্চলে আয়োজিত হয় চড়ক মেলা। এই মেলায় অংশগ্রহণকারীগণ বিভিন্ন শারীরিক কসরৎ প্রদর্শন করে মানুষের মনোরঞ্জন করে থাকে। এছাড়া বহু পরিবারে বর্ষশেষের দিন টক এবং তিতা ব্যঞ্জন ভক্ষণ করে সম্পর্কের সকল তিক্ততা ও অম্লতা বর্জন করার প্রতীকী প্রথা একবিংশ শতাব্দীতেও বিদ্যমান। পরের দিন অর্থাৎ পয়লা বৈশাখ প্রতিটি পরিবারে স্নান সেরে বয়ঃজ্যেষ্ঠদের প্রণাম করার রীতি বহুলপ্রচলিত। বাড়িতে বাড়িতে এবং সকল ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে চলে মিষ্টান্ন ভোজন। ব্যবসা প্রতিষ্ঠানগুলির অধিকাংশই এদিন থেকে তাদের ব্যবসায়িক হিসেবের নতুন খাতার উদ্বোধন করে, যার পোশাকি নাম হালখাতা। গ্রামাঞ্চলে এবং কলকাতা শহরের উপকণ্ঠে পয়লা বৈশাখ থেকে আরম্ভ হয় বৈশাখী মেলা। এই মেলা সমগ্র বৈশাখ মাস জুড়ে অনুষ্ঠিত হয়।

কলকাতা –
ভারতের সাংস্কৃতিক রাজধানী কলকাতা পয়লা বৈশাখ উদযাপনে একটি অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে চলেছে। নববর্ষারম্ভ উপলক্ষে শহরের বিভিন্ন পাড়ার অলিতে গলিতে নানা সংগঠনের উদ্যোগে প্রভাতফেরি আয়োজিত হয়। বিগত বছরের চৈত্র মাসে শহরের অধিকাংশ দোকানে ক্রয়ের উপর দেওয়া হয়ে থাকে বিশেষ ছাড়, যার প্রচলিত কথ্য নাম ‘চৈত্র সেল’। তাই পয়লা বৈশাখ উপলক্ষে এবং এই ছাড়ের সুবিধা গ্রহণ করতে অর্থনৈতিক অবস্থা নির্বিশেষে কলকাতার সমস্ত মানুষ একমাস ধরে নতুন জামাকাপড়, ইত্যাদি ক্রয় করে থাকে। পয়লা বৈশাখের দিন উল্লেখযোগ্য ভিড় চোখে পড়ে কলকাতার বিখ্যাত কালীঘাট মন্দিরে। সেখানে বিভিন্ন ব্যবসায়ী ভোর থেকে প্রতীক্ষা করে থাকেন দেবীকে পূজা নিবেদন করে হালখাতা আরম্ভ করার জন্য। ব্যবসায়ী ছাড়াও বহু গৃহস্থও পরিবারের মঙ্গল কামনা করে দেবীর আশীর্বাদ প্রার্থনা করতে কালীঘাটে গিয়ে থাকেন। এইদিন বাঙালির ঐতিহ্যবাহী পোশাক ধুতি-পাঞ্জাবি এবং শাড়ি পরার রেওয়াজ প্রচলিত। বাংলাদেশ এবং ভারত ছাড়াও পৃথিবীর আরো নানান দেশে পহেলা বৈশাখ উদযাপিত হয়ে থাকে।

অস্ট্রেলিয়া –
অস্ট্রেলিয়ার বিভিন্ন শহরে যেমনঃ সিডনি, মেলবোর্ন, ক্যানবেরাতে বৈশাখী মেলার মাধ্যমে পহেলা বৈশাখ উদযাপন করা হয়। বিভিন্ন শ্রেণিপেশার মানুষ নাচ-গান-ফ্যাশন শো-খাবারের মাধ্যমে বাঙালি সংস্কৃতির এ ধারাকে আনন্দময় করে তোলে। অস্ট্রেলিয়ার সিডনিতে সর্ববৃহৎ বৈশাখী মেলা অনুষ্ঠিত হয়।[৭] আগে বার্নউড বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে অনুষ্ঠিত হলেও ২০০৬ সাল থেকে সিডনি অলিম্পিক পার্কে মেলাটি অনুষ্ঠিত হয়ে আসছে।[৭] মেলায় বিপুল পরিমাণ লোকের সমাগম ঘটে এবং প্রবাসী বাঙালিদের জন্য এটি একটি আনন্দঘন দিন।

সুইডেন –
সুইডেনেও বিপুল উৎসাহের সাথে পহেলা বৈশাখ উদযাপিত হয়।

ইংল্যান্ড –
ইংল্যান্ডে অবস্থানকারী প্রবাসী বাঙালিরা স্ট্রিট ফেস্টিভ্যাল (পথ উৎসব) পালন করে। এই উৎসবটি লন্ডনে করা হয়।ইউরোপে অনুষ্ঠিত সর্ববৃহৎ এশীয় উৎসব এটি এবং বাংলাদেশ ও ভারতের পশ্চিমবঙ্গ ছাড়া সর্ববৃহৎ বাঙালি উৎসব।

Information Source: উইকিপিডিয়া বাংলা, Several blogs.

১২/০৬/২০১৬, ৪.১৫ AM

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *