প্রানের বর্নমালা, কালের লিখন (শেষ পর্ব)

  •  
  •  
  •  
  •  

‘অভ্র’র সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অবদান হলো ইন্টারনেটে বাংলা লেখার জন্য এই কি-বোর্ডের ব্যবহার। অর্থাৎ বাংলা ভাষা এখন পার্সোনাল কম্পিউটারের গন্ডি ছাড়িয়ে স্থান করে নিলো ইন্টারনেটের ভাচুর্য়াল পাতায়। আর এই কি-বোর্ড হলো সবার জন্য উন্মুক্ত। এই বর্ণ সৈনিকের ‘অভ্র’ বর্তমানে বাংলা লেখার অন্যতম জনপ্রিয় লেআউট হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে। কম্পিউটারে বাংলা লেখার জন্য অনেকগুলো কি-বোর্ড বর্তমানে প্রচলিত। অনেকেই অক্লান্ত পরিশ্রম করেছেন তাদের প্রচেষ্টাগুলোকে সফল করা জন্য।

কেন করেছেন? শুধুই ব্যবসায়িক সম্ভাবনার কথা চিন্তা করে? উহু। নতুন কিছু করার নেশা, অনুসন্ধিৎসা আর সবচেয়ে বড় বিষয় মায়ের ভাষার প্রতি ভালোবাসা থেকেই তারা উদ্ভাবনগুলো করেছেন। ইতিহাসতো নদীর পানির মতো গড়িয়ে চলে। পেছনে রেখে যায় ঢেউয়ের চিহ্ন। তেমনি করে বাংলা ভাষার ইতিহাসে এই বর্ণ সৈনিকদের অবদান আমাদের অনুপ্রাণিত করবে যুগ যুগ ধরে। এরই ধারাবাহিকতায় বর্তমান সরকার উদ্যোগ নিয়েছে – তথ্য প্রযুক্তিতে বাংলা ভাষাকে সম্মৃদ্ধকরণে। এই উদ্যোগের সাথে আমি অধমও যুক্ত আছি সৌভাগ্যক্রমে। বছর তিনেক পর বাংলা ভাষাও দাপট দেখাবে প্রযুক্তি জগতে। দেখা হবে বিজয়ে।

২৩-০২-২০২০, ০৭.৪৭ PM

প্রানের বর্নমালা, কালের লিখন (প্রথম পর্ব)

প্রানের বর্নমালা, কালের লিখন (দ্বিতীয় পর্ব)

প্রানের বর্নমালা, কালের লিখন (তৃতীয় পর্ব)

প্রানের বর্নমালা, কালের লিখন (চতুর্থ পর্ব)

প্রানের বর্নমালা, কালের লিখন (পঞ্চম পর্ব)

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *