ভাবনা আমার ভাবায় যখন

  •  
  •  
  •  
  •  

মনে নেওয়া, আর মেনে নেওয়ার মধ্যে যোজন যোজন দূরত্বের পার্থক্য। পাশে বসলেই তো আর কাছে যাওয়া হয় না। আঙ্গুলের ফাঁকের মধ্যে আঙ্গুল ঢুকে থাকলেও আপন হওয়া যায় না। এক সাথে ভাবনা ভাবলেই এক সাথে বাঁচা যায় না। দৃশ্য ও দৃশ্যমান অনেক পজেটিভ নেগেটিভ প্রভাবক থাকে এইসব সুক্ষ্মতম বিভাজনে। কপাল বলে কিছু নেই। সবই কর্মফলের বার্ষিক পরীক্ষার রেজাল্ট। তবুও আমাদের অক্ষমতা আর অপারগতাগুলোকে কপালের উপর দিয়েই পার হয়ে যাই। নিতান্তপক্ষে উপেক্ষা করা যায় না বলেই আমরা নীতি আর দুর্বলতার গল্প বলি।

নিজের গল্পে নিজেকে হিরো বানাই, বাকি সবার খাতায় বিশাল বিশাল জিরো বসিয়ে দিয়ে। মানুষ নিজের আয়নায় নিজেকে দেখতে পারে না। পারলেই নিজের পজিটিভ জিনিসগুলোই দেখতে পায়। অন্যের আয়নায় নিজেকে স্পষ্টতর দেখতে পারা গেলেও সেটাও অস্বীকার করে বসি কখনো কখনো। না করেও তো উপায় নাই, এক্সরে রিপোর্টে কোন সুশ্রী কিছু আসে না। অন্ততল তো দৃশ্যমান লোলুভ ত্বকে থড়ে থড়ে সাজানো থাকে না। আমি শতভাগ পারফেক্ট নই, তবুও আমি আশা করি নির্ভুল, শতভাগ পারফেকশনিস্ট কাউকে।

নিজের অনিচ্ছাকে অন্যের সমস্যা বলে চাপিয়ে দিয়ে বলি,
– আই হ্যাড নো প্রব্লেম।
নিজের অবস্থানকে ক্লিন এন্ড ক্লিয়ার করে উপস্থাপন করার জন্য- দু কদম আগেই বিপক্ষের পদচিহ্নে ডট এঁকে দেই। কলোনিয়াল রক্ত আমাদের শিরা-উপশিরা আর ধমনীতে প্রবাহিত নাফ নদীর মতো। এক চিমটি দুর্বলতার ফাঁক গলে ঢুকিয়ে দেই এক পাহাড়সম অভিযোগ ও অনাস্থা প্রস্তাব। এবার সুবোধ তুই পালিয়ে যা, সময় তোর প্রতিকূলে। পারলে তুই আমাকে ঠেকা। আছে সাহস, আছে কি সেই হিম্মত? নাই। কেনো? তুই খারাপ, তুইই খারাপ। তুই কি খারাপ?

০৪/০৮/২০২০, ০৯.১৫ PM

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *