ভালোবেসো কবিতাকে, ভালোবেসো কবিটাকে

  •  
  •  
  •  
  •  

মনীষীরা ভালোবাসাকে দেখেছেন নানা রঙে-রূপে। কেউ ভালবাসাকে দেখেছেন জীবন হিসেবে কেউ বা বিনাশের অপর নাম হিসেবে। প্লেটোর মতে, ‘প্রেমে পড়লে সবাই কবি হয়ে যায়’। আবার সেন্ট জিরোথী বলেছেন, ‘ভালোবাসার কোনো অর্থ নেই, কোনো পরিমাপ নেই’। অর্থাৎ এটা এক মায়াজাল। আনাতোল ফ্রাঁস দেখেছেন ‘মানুষের একটি শাশ্বত ও মহান প্রয়োজন হচ্ছে প্রেম’। অস্তিত্বের সাথে ভালোবাসাকে মিলিয়েছেন — ফয়ের বাখ। তাঁর মতে, ‘যেখানে প্রেম নেই, সেখানে সত্যি নেই; কেবলমাত্র তারই মূল্য আছে যে কোনো কিছুকে ভালোবাসে, ভালোবাসা না থাকলে নিজের অস্তিত্ব না থাকারই শামিল।

বিরহ-মিলনের সমীকরণ টেনে কাজী নজরুল ইসলাম বলেছেন, ‘যাকে সত্যিকারের ভালোবাসা যায় সে অতি অপমান, আঘাত করলে, হাজার ব্যথা দিলেও তাকে ভোলা যায় না’। ‘প্রেম হচ্ছে সবকিছুর শুরু, মধ্য এবং অন্ত’ এ মতটি লার্কভেয়ারের। ভালবাসাতেই মানব জীবনের সৌন্দর্য দেখেছেন কীটস। তাঁর কথা- ‘ভালোবাসা যে পেল না, আর ভালোবাসা যে কাউকে দিতে পারল না, সংসারে তার মতো দুর্ভাগা আর নেই’। আমার মতে ভালোবাসতে সেই পারে যার হৃদয়টা পুষ্পের মত উদার তানা হলে নিজের জীবন রেখে অন্য জীবনকে ভালোবাসা সবার পক্ষে সম্ভব না৷

আকাশের দিকে অবশ্যই দৃষ্টি রাখবে, কিন্তু একথা ভুলনা তোমার পা মাটিতেই আছে। ধন থাকলে অবশ্যই দান করবে। এ কথা ভুললে চলবে না ধনী গরীব করার প্রকৃত হকদার আল্লাহ৷ শত্রু থাকলে অবশ্যই বিনয়ী হবে, যাতে শত্রু বন্ধু হয়ে যায়। তবুও যদি অহংকারী হও তবে চুপ থাকো। নিশ্চই আল্লাহ অহংকারীকে পছন্দ করেন না৷ কোন কিছু পছন্দ হলে ভালো লাগলে তার উৎপাদন দাতাকে প্রসংশা করবে, জিনিসটাকে নয়। কারণ, সে না হলে কখনই তেমনটা হত না৷ প্রতিটি সুন্দরে অসুন্দর জড়িত। তাই দুই দিক থেকে কেউ অসুন্দর নিয়ে কথা তুলবে এটাই স্বাভাবিক। তবে যে যাই বলুক নিশ্চয়ই আল্লাহ যাকে যা দিয়েছে তার জন্যই তা কল্যানময়৷

১৮/০৩/২০২০, ০৯.১৬ PM

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *