মুরগীর খানাপিনা

  •  
  •  
  •  
  •  

খদ্দের খেতে খেতে হোটেল মালিককে বললেন,
– “বাঃ, মুরগির মাংসটা তো বেশ নরম আর সুস্বাদু।”
হোটেল মালিক,
– “হবে না কেন স্যার, পোষা মুরগি, আর যা খাওয়াই…কাজু, কিসমিস, প্রোটিনেক্স!”
– “কী? মুরগিকে কাজু…কিসমিস? ব্ল্যাক মানি রাখার আর জায়গা পাচ্ছেন না বুঝি? দেখি আপনার সব হিসাবের খাতাপত্তর।”
খদ্দের খাবারের দাম তো দিলেনই না, উল্টো দু’হাজার টাকা পকেটে পুরে চলে গেলেন। খদ্দেরটি ছিলেন ইনকাম ট্যাক্স অফিসার।

ক’দিন বাদে আরেকজন মুরগি খেয়ে খুব খুশি হয়ে বললেন,
– “বাহ, পোষা মুরগি বুঝি? তা কী খাওয়ান এদের?”
আগের ঘটনায় হোটেল মালিক সাবধান হয়ে গেছেন, বললেন,
– “আজ্ঞে, ভালো কিছু তো আর খাওয়াতে পারি না, ওই পোকামাকড়, আরশোলা এসবই খাওয়াই।”
– “কী? মুরগিকে পোকামাকড় খাওয়ান? জানেন আমি Prevention of Cruelty to Eatable Birds-এর প্রেসিডেন্ট। আপনি মুরগীকে এইসব খাওয়ান? আপনার ভিটেয় আমি মুরগির বদলে ঘুঘু চরিয়ে ছাড়বো।”
এবারও দুহাজার টাকা খেসারত দিতে হল।

কিছু দিন পর আরেক খদ্দেরের একই প্রশ্নে হোটেল মালিকের সোজা সাপ্টা জবাব,
– “একদম বলতে পারব না স্যার। রোজ সকালে প্রত্যেক মোরগ-মুরগির হাতে নগদ দশ টাকা করে দিয়ে দিই। কে কী কিনে খায় জানি না!”

১৯/০৩/২০২০, ০২.৪৩ PM

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *