সুখপোকা দুখপোকা

  • 10
  •  
  •  
  •  
    10
    Shares

অতিমাত্রার গভীর ভালবাসার সঙ্গে হারানোর ভয়টা থাকলে একটা মানুষ মূলত সাইকো হয়ে উঠে। একটা স্বাভাবিক মানুষ যখন সাইকো হয়ে উঠে তখন সবার কাছেই সে অসহ্য হয়ে উঠে। একটা মেয়ে বা ছেলে কেন সাইকো হয়ে উঠে সেটা বুঝার নূন্যতম চেষ্টাও আমরা করি না। বরঞ্চ তার এক্সপ্রেশনটাকে নিয়েই কাটাছেঁড়া করি। তলিয়ে দেখতে গেলে নিজেকেও কিছুটা তলায় নিয়ে যেতে হয়। কে চায় হায়! চাল থেকে ভাত হওয়া সবাই দেখে। কিন্তু চাল থেকে ভাত হওয়ার মধ্যবর্তী ম্যাকানিজম কেউ দেখে না। দেখতে চাইলেও পারে না। আমরা শুরু এবং শেষটা দেখি বা দেখতে পছন্দ করি। একটা মানুষ খারাপ হয়ে গেলে তার সমালোচনা করতে থাকি।

কিন্তু একটা মানুষ কেন খারাপ হয়ে গেল সেটা কখনো তলিয়ে দেখিনা। দেখার সময় আমাদের নেই। কারন আমরা জাজমেন্ট করতেই বেশি পছন্দ করি। একটা হারানোর ভয়ের মধ্যে কতখানি পাওয়ার ব্যাকুলতা, কতখানি প্রেমের নির্যাস, কতখানি সলিড ভালবাসা থাকে সেটা বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই অপ্রকাশিত হয়ে থাকে সহযোদ্ধার কাছে। আর অপ্রকাশিত থাকে বলেই ঝামেলাগুলো হয়। হিংসা, হারানোর ভয়, কাছে পাবার ব্যাকুলতা না থাকলে সেটা কোন মানবিক সম্পর্ক নয়, কর্ণওয়ালিশের কর্পোরেট বন্দোবস্ত মাত্র। নরক নামক ভয়ার্ত এক জিনিস আছে বলেই ৯৯ ভাগ ধর্মপ্রাণ মানুষ উপরওয়ালার ইবাদত করে।

২৯/০৭/২০২০, ১০.৫৫ AM

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *