হ্যাপি ফাদার্সডে

  •  
  •  
  •  
  •  

মেয়েরা তার মায়ের কাছে যতোটুকু প্রকাশ করতে পারে ছেলেরা ততটুকু তার বাবার কাছে প্রকাশ করতে পারেনা। মেয়েরা তার ফার্স্ট মিন্সট্রেশনের কথা মাকে জানাতে পারে কিন্তু ছেলেরা তার ফার্স্ট নাইট ডিসচার্জের কথা বাবাকে জানাতে পারেনা। মেয়েরা প্রতিদিন কোনো না কোন ভাবে মাকে স্পর্শ করে। মায়েরাও না না ছুতায় প্রিয় কন্যাকে ছুঁয়ে দেয়। কিন্তু ছেলেরা বাবার কাছে ঘেঁষতে যায়না। পিতারাও মারধর ছাড়া পুত্রকে তেমন একটা ছুঁয়ে দেখেনা। বেশির ভাগ পিতা পুত্রের মধ্যে দৌড়ঝাঁপের সম্পর্ক।

মায়েরা গভীর মমতায় তার কন্যাদের মাথায় লাল বাগের হাঁস মার্কা নারকেল তেল দিয়ে দেয়। কিন্তু পিতারা থাপ্পড় ছাড়া কখনো ছেলের মাথায় হাত বুলায় না। মায়ের বিয়ের শাড়ি পরে মেয়েরা বউ সাঝে কিন্তু বাবার বিয়ের শেরওয়ানী বা পাগড়ী ছেলেরা চোখেই দেখেনা। বাবারা ছেলেদের প্রতি এতো কেয়ারফুল না। বাবারা অদ্ভুত। বাবাদের ভালোবাসাও অদ্ভুত। বাবাদের ভালোবাসা পিতৃত্ব আর দায়িত্বের নির্মম খোলসে ঢাকা। মায়ের ভালোবাসার মতো বাবার ভালোবাসা দৃশ্যমান নয়। বাবাদের ভালবাসা গভীর খনির ভাজে থাকা দুষ্প্রাপ্য হীরের মতো, অনেক ছেলেই তা আহরণ করতে পারেনা।

২২/০৬/২০২০, ১২.২০ PM

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *