মানি যোগ হানি (শেষ পর্ব)

অথবা আপনার প্রেমিকা লাগবে? অল্প টাকা ছাড়েন, আপনার “মেয়ে বন্ধু”রাই প্রেমিকার অভাব পূরন করে দিবে। আপনি কাকে রেখে কাকে ধরবেন, সেই ঝামেলায় পড়বেন। কিংবা প্রেমিকা আছে আপনার, এইতো? আপনার গিফট দেয়ার সামর্থ্য আছে? মোবাইলে রিচার্জ করতে পারেন? ঘন্টার পর ঘন্টা ফোনে কথা বলতে পারেন? যদি উত্তর না হয়, তাহলে এই প্রেমিকার সাথে আপনার বিয়ে হবে না, মোটামুটি সিউর থাকতে পারেন। আপনার শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে সবাই পিকনিকে যাবে। আপনার কাছে টাকা নাই তাই যাবেন না। সবাই যখন হৈ হুল্লোড় করে রওয়ানা দিবে, ফেসবুকে ছবি আপলোড করবে, আপনার কাছে ঠিক তখনই মনে হবে টাকাই দুনিয়ার সব। Continue reading “মানি যোগ হানি (শেষ পর্ব)”

স্বপ্নবন্দনা

মহাখালী থেকে দূরপাল্লার বাসে উঠে বসে আছি। হঠাৎ এক যুবক ‘৩০ দিনে ইংরেজি শিখুন’ টাইপ কোন বই নিয়ে যাত্রীদের মনোযোগ আকর্ষণ করছে। বাস ভর্তি যাত্রী মন লাগিয়ে যুবকের কথা শুনল। তারপর একজন যাত্রীকে দেখা গেল জানালা দিয়ে আমড়া ওয়ালাকে ডাকছে। ছেলেটি মানুষের এটেনশন পাবার জন্য ইংরেজিতে কথা বলছিল। ইংরেজি বই বিক্রি করার জন্য ইংরেজি জানা ছেলে চাই। এই হল প্রকাশকের মার্কেটিং পলিসি। আমি সাধারণত কোন মানুষের দিকে তাকালে মনে মনে মানুষটার একটা গল্প দাড় করিয়ে ফেলি। ছেলেটি রোজ কতটা বাসে দাড়িয়ে এভাবে নির্বিকার ইংরেজি বলে যায়। পরিচিত কোন মানুষকে দেখলে লজ্জা পায় কিনা। প্রতিটা বইতে সে কত টাকা কমিশন পায়। রোজ কতটা বই বিক্রি হলে তার তিন বেলা খাবারের টাকা উঠে আসে আমি জানি না। এই ছেলেটির সাথে আমার কথা হয়েছে। সে ন্যাশনাল ভার্সিটি থেকে অনার্স থার্ড ইয়ারে পড়ছে। Continue reading “স্বপ্নবন্দনা”

থিওরি অফ আনসার্টেনিটি অফ লাভ

সুবর্না মুস্তফাকে অপি করিম জিজ্ঞেস করেছিলেন,
– ধরেন সৌদ আপনাকে ছেড়ে চলে গেলো, তাহলে কি সবচেয়ে বেশি কষ্ট পাবেন?
সুবর্না মৃদু হেসে বললেন,
– মোটেই না। আমি সবচেয়ে বেশি কষ্ট পেয়েছি বাবা-মা মারা যাওয়ার সময়, এরপর যতই কষ্ট পাই সেটা ওটার সমান হবে না কখনো। কাজেই সৌদ যদি আমার সাথে না থাকতে চায়, থাকবে না। তাতে আমি কখনোই সবচেয়ে বেশি কষ্ট আর পাবোনা।
এটা দেখে মনে হয়েছিল ভালোবাসা কখনো গিরগিটির মতো রঙ বদলায় না, সম্পর্ক রঙ বদলায়। যেমন ধরেন নেপোলিয়নের জীবনের শেষ শব্দের নাম ছিলো- জোসেফাইন। আইন্সটাইন থিওরি অফ রিলেটিভিটির গবেষণা শুরু করেছিলেন স্ত্রী মিলেভা মেরিকের সাথে, Continue reading “থিওরি অফ আনসার্টেনিটি অফ লাভ”

সুখজোয়ারের ন্যায্য হিস্যা চাই

টাকা-লোভী মেয়েকে বিয়ে করলে টাকা দিয়েই খুশি রাখা যায়। কিন্তু যদি ভালোবাসা-লোভী মেয়ে বিয়ে করেন তাইলে ফেসে যাবেন এক্কেবারে, সারাজীবনের জন্যে। কারণ এদেরকে ভালোবাসতে হয়, প্রচুর। একেবারে দায়িত্ব নিয়ে। টাকার থেকে ভালোবাসার লোভ ভয়ংকর, খুব ভয়ংকর। আর এই লোভ করা মেয়েদের বিয়ে করেছেন তো গেলেন একেবারে। টাকার লোভ করা মেয়েদের টাকাই লাগে। কিন্তু ভালোবাসার লোভ করা মেয়েদের? সম্মান, শ্রদ্ধা, বিশ্বাস, প্রেম আর ভালোবাসা তো আছেই। এদের না অনেক চাহিদা। ভালোবাসা চাই এদের, জীবনের শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত।

এদের পাশে থাকতে হবে, বিশ্বাস করতে হবে, ভালোবাসা দিয়ে ভালো রাখতে হবে, Continue reading “সুখজোয়ারের ন্যায্য হিস্যা চাই”

দাগ

যিনি খারাপ তার মনে সব সময় খারাপ চিন্তা ভাবনা ই চলে। যারা পিরিয়ড নিয়ে হাসাহাসি করে, তাদের জন্য এই পোষ্ট, যদি খারাপ অথবা ভুল কিছু লিখি শুরুতেই মাফ চেয়ে নিচ্ছি। কোরিয়ান এক ভদ্রমহিলা কাজ সেরে বাস এ করে বাড়ী ফেরার পথে পিরিয়ড শুরু হয়। স্কার্ট ভেদ করে রক্তের দাগ বাস এর সিটে লেগে গেলে মহিলা খুব অস্বস্তিতে পড়ে যান। মহিলার সহযাত্রী ভদ্রলোক পুর ঘটনাটা নোটিশ করেন এবং কিছু না বোঝার ভান করে নিজের হাতে থাকা স্ট্রবেরী জ্যুস এর কিছুটা মহিলার স্কার্ট এ ফেলে দেন, তারপর সরি বলতে বলতে নিজের ব্লেজার টা এগিয়ে দিয়ে বলেন ভেজা অংশ কভার করে বাস থেকে নেমে যেতে। পরে কোনদিন ব্লেজার ফেরত দিলেই হবে। মহিলা বাড়ী ফেরার পরে বুঝতে পারেন লোকটা আসলে তাকে পিরিয়ডের লজ্জা থেকে বাঁচাতে তার গায়ে জুস ফেলেছিল। Continue reading “দাগ”

প্রানের বর্নমালা, কালের লিখন (শেষ পর্ব)

‘অভ্র’র সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অবদান হলো ইন্টারনেটে বাংলা লেখার জন্য এই কি-বোর্ডের ব্যবহার। অর্থাৎ বাংলা ভাষা এখন পার্সোনাল কম্পিউটারের গন্ডি ছাড়িয়ে স্থান করে নিলো ইন্টারনেটের ভাচুর্য়াল পাতায়। আর এই কি-বোর্ড হলো সবার জন্য উন্মুক্ত। এই বর্ণ সৈনিকের ‘অভ্র’ বর্তমানে বাংলা লেখার অন্যতম জনপ্রিয় লেআউট হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে। কম্পিউটারে বাংলা লেখার জন্য অনেকগুলো কি-বোর্ড বর্তমানে প্রচলিত। অনেকেই অক্লান্ত পরিশ্রম করেছেন তাদের প্রচেষ্টাগুলোকে সফল করা জন্য।

কেন করেছেন? শুধুই ব্যবসায়িক সম্ভাবনার কথা চিন্তা করে? উহু। নতুন কিছু করার নেশা, Continue reading “প্রানের বর্নমালা, কালের লিখন (শেষ পর্ব)”

Page 1 of 41234