কেউ সুখি নয়

কখনো কি ভাবা হয় তুমি ঠিক তোমার নিজের কতোটুকু? তুমি নিজের জন্য ঠিক কতোখানি বাচোঁ? তুমি যখন সন্তান তখন তুমি তোমার বাবা-মায়ের, পরিবারের। তাদের আদেশ- নিষেধ এর নিয়মের পালনকারী। ভালো রেজাল্ট, ভালো হয়ে থাকার প্রচেষ্টা সব বাবা-মায়ের মান সম্মানের খাতিরে। শিক্ষা তোমার নিজেরই কিন্তু তবুও তোমার ইচ্ছের না কারন হয়তো তুমি। আকাশ ছোয়ার দুর্নিবার ইচ্ছায় হতে চাও তুমি পাইলট। কিংবা সমুদ্র জয়ের নেশায় হতে চাও ডুবুরি। কিন্তু তারা চায় তুমি হও ডাক্তার বা হও বড় কোন অফিসার। তুমি চাও নিজ পায়ে দাঁড়াতে আর তারা চায় তুমি সংসারী হও। যখন তুমি এই ধাপ পেরিয়ে একটু স্বাধীনতার দিকে পা বাড়াও ঠিক তখনি সেখানে স্বাধীনতার চেয়েও দায়িত্বশীলতার ভার চলে আসে বেশি। তখন জীবন তোমার চেয়েও অন্যদের জন্য হয়ে যায় বেশি। Continue reading “কেউ সুখি নয়”