সুহাসিনী

প্রিয়তমেষু,

পত্রের শুরুতেই শুভেচ্ছা নিও। ভাল আছো তো? না থাকলেও থেকো। ভাল থাকাটা দরকার। যদি তাও না পারো অন্তত অভিনয় করো ভাল থাকার। এটাই এমূহূর্তে অত্যন্ত জরুরি। ঠিক যেভাবে ভাল থাকে আগুনের সঙ্গে অক্সিজেন। তুমি তো একা থাকতে পারো না প্রিয়তমেষূ। তার পরেও জীবন তোমাকে একাই চলতে শিখিয়েছে। চলতি পথে যখন সামনের পথ রুদ্ধ হয় ঠিক হরর মুভ্যির দৃশ্যপটের মতো, তখন চোখ বন্ধ করে একবার গভীরভাবে শ্বাস ছেড়ে পা ফেলো সামনের পানে। বিশ্বাস রেখো সৃষ্টি কর্তায়। একটু কষ্ট হবে বৈকি। কিন্তু সেটা বেশিক্ষণের নয়। তুমি পারবে, পারতে তোমাকে হবেই। ঠিক যেভাবে মানুষ তৈরি করেছে মহাকশের মধ্যে যন্ত্রযান। সেখানেও কিন্তু মানুষ থাকে, তা কি তুমি জানো না?

ফিরে তাঁকাও ফেলে আসা পেছনের দিকে। চোখ বন্ধ করো। Continue reading “সুহাসিনী”