বিষময় বিস্ময় (পঞ্চম পর্ব)

তেরো
বলা বাহুল্য রাণুর বাবা কবিগুরুর চিঠি পেয়ে মহাখুশী হতেন। নোবেল বিজয়ী কবি বলে কথা। এভাবে শীত গ্রীষ্ম বসন্ত সবসময়ই রাণুর বাবাকে তিনি চিঠি লিখে তিনি রাণুর খোঁজ খবর করতেন। কিন্তু রবীন্দ্রনাথের সুখ বেশিদিন রইলো না। একটা পর্যায়ে নানান মানুষ নানান কথা বলতে শুরু করলো। লোকের কান ভাঙানিতে আর টেকা যাচ্ছিল না, আর এতে রবীন্দ্রনাথ বাধ্য হয়ে একটা অদ্ভুত সিদ্ধান্ত নিলেন। তিনি নিজেই রাণুর বিয়ের ব্যবস্থা করলেন। এবং মহা ধুমধামের সঙ্গে রাণুর বিয়ে দিলেন। রাণু এতে মনে মনে কবিগুরুর উপর ভীষণ চটেছিল, যদিও সেভাবে কিছুই বলে নি।

চৌদ্দ
যথারীতি সে আমাকে মাঝে মাঝেই ফোন দিত। বেশ লম্বা সময় নিয়ে ইনিয়ে বিনিয়ে এ প্রসঙ্গ থেকে ও Continue reading “বিষময় বিস্ময় (পঞ্চম পর্ব)”