অপারেশন কিলোবাইট

সমাজের উচ্চবিত্তের প্রতি মধ্যবিত্তের কখনো শ্রদ্ধাবোধ কাজ করে না। যা করে কিছুটা ভয়, বাকিটা জেলাসি। এবং জেলাসি দুর্দান্তভাবে জিগাংসমূলক। এই আত্মহমিক মানুসিক স্ট্যান্ডার্ডাবিলিটির কারনে সামাজিক ভেদাভেদ, পারস্পরিক মূল্যবোধ, একে অন্যের প্রতি আত্মজিঘাংসা বেড়েই চলেছে। সামাজিক অবস্থান নির্ণয়নে উচ্চবিত্তের অগ্রাধিকার। মধ্যবিত্তের আকাঙ্ক্ষা বা আশা থাকলেও মূলত প্রতিফলন ঘটানোর সাধ এবং সাধ্য নেই। যেমন, আমারও ওয়েস্টিনে প্রতিদিন আড্ডা দিতে ইচ্ছে করে, প্রাডো গাড়িতে চলাচল করতে ইচ্ছে করে। কিন্তু সাধ্য নেই। তাই আল সালাদিয়া হোটেলেই খাই, লেগুনাতেই যাই। এই আর্থিক বৈষম্যভেদ্য – মূলত এই শ্রেণি সংগ্রামকে যুদ্ধের ময়দানে একে অন্যের প্রতিপক্ষ করে বানিয়ে তুলছে। গ্লোবালাইজেশন তত্ত্ব অনুযায়ি – উচ্চবিত্ত ধীরে ধীরে আরও অধিকতর উচ্চবিত্ত হয়ে যাচ্ছে। কিন্তু মধ্যবিত্তের দৃষ্যত পরিবর্তন নেই। Continue reading “অপারেশন কিলোবাইট”

করোনায় করা না করা

করোনা আসায় অন্তত একটা উপকার হয়েছে। যারা দেশ না বিদেশ নিয়ে দোটানায় ছিলেন, তারা এবার মনস্থির করতে পেরেছেন। অবশ্য দেয়ালের লিখন যারা পড়তে পেরেছিলেন বা পারেন, অনেক আগে থেকেই তারা বিদেশে পাড়ি জমাচ্ছেন। লক্ষ্য করলে দেখবেন বর্তমানে অনেকেই ছেলেমেয়েদের ইংলিশ মিডিয়ামে পড়ায়। এর মধ্যে কিছু আছে ফুটানি দেখানোর জন্য, তবে বেশীরভাগ হচ্ছে বিদেশে স্থায়ী হবার প্রস্তুতি। জ্বী, জানি, অনেকে বলবেন বাংলা মিডিয়ামে পড়ে কি বিদেশে আগে স্থায়ী হয়নি, এখনো হচ্ছেনা? অবশ্যই হতো, কে মানা করেছে। কিন্তু তখন শিক্ষার একটা মান ছিল যা এখন নেই, তখন নেহায়াত গ্রাম্য স্কুল থেকে উঠে আসা একজন ছাত্রের যে মান থাকতো, এখন অনেক নামকরা স্কুলের ছাত্রদের সেই মান থাকেনা।

তো বিদেশে গেলে কি সব ঠিক হয়ে যাবে? কোন সমস্যা হবেনা? Continue reading “করোনায় করা না করা”