নিশীথিনী

আউলাচুলের তরুণী স্মিত হাসে। টোল পড়ে গালে। কিন্তু দূর থেকে বোঝা যায় না। নিচের ঠোটের ডান দিকে ব্রাউন কালারের ছোট একটা তিল। যখন ক্লান্ত হয়, ঠোট শুকিয়ে যায়, তখন জিভ দিয়ে মাঝে মধ্যেই তা স্পর্ষ করে। লোভ হয়। ভীষণ লোভ হয় তখন। কখনো অট্টহাসিতে দেখিনি তরুণীকে। কিভাবে তার মাঝারি গড়নের শরীরটা নেচে উঠে হাসিতে জানা হয়নি। কপালে ভাঁজ পড়ে কী না, হাসির তোড়ে চোখ দুটো ছোট হয়ে যায় কী না! ঠোটযুগলের সঙ্গে চোখ দুটোও হাসে কী না। খুব সখ দেখার। খুউব।

গুনগুন করে গান গাইতে শুনেছি। কি গান সেটা শোনা হয়নি। রবীন্দ্র সংগীত কিংবা নজরুল সংগীত ভাল মানাবে বোধ হয়। Continue reading “নিশীথিনী”