অ্যা লং হিষ্টোরি অফ অ্যা শর্ট জার্নি (পঞ্চম পর্ব)

তেরো
ঠিক কতক্ষন গরমে ঘেমে নেয়ে অচেতন পরে ছিলাম জানি না। হঠাৎ ঘুম ভাঙ্গতেই ঘড়ির দিকে তাকালাম। বিকেল হয়ে যাচ্ছে বলে, খুব দ্রুত রেডি হয়ে বের হলাম বাহিরে যাবো বলে। সাথে মা, ভাই আর বোনের দেয়া বিশাল লিষ্ট পকেটে। আর টাকা আই মিন রুপি? সে না হয় আর নাই বললাম। বিগ বাজারে যেয়ে তিনতালার মেগা সুপারমলটা একবার চক্কর দিতেই আমার পকেট থেকে আধা ঘন্টা সময় চলে গেলো। সাথে দেখি কলকাতার লোকদের পাশাপাশি বাঙ্গালীদের কেনা কাটার ধুম পড়ে গেছে। যেন আজকে না কিনলে এই জিনিস আর বাপে জনমেও কেনা যাবে না। পাওয়াও যাবে না। মনে মনে নিজ জাতির প্রতি একই সাথে অত্যন্ত দুঃখ – কষ্ট এবং বিরক্ত হতে লাগল আমার। আমি তাই পরক্ষনেই অন্যদের কার্যক্রম দেখা বাদ দিয়ে পকেট থেকে আমার লিষ্ট বের করে কেনাকাটায় মনযোগ দিলাম। লাল বাসকেট (হাত ঝুড়ি) নিয়ে তাই লিষ্ট থেকে দেখে দেখে জিনিস নামিয়ে রাখতে লাগলাম। শেহশবার আমি এখানে এসেছিলাম আমার মা কে নিয়ে। মনে পড়ে গেল মায়ের কথা। বুকের ভেতরটা দুমড়ে মুচড়ে উঠলো। Continue reading “অ্যা লং হিষ্টোরি অফ অ্যা শর্ট জার্নি (পঞ্চম পর্ব)”