বেওয়ারিশ বেজন্মা (প্রথম পর্ব)


অবশেষে মিতু সিদ্ধান্তে উপনীত হলো যে, তাঁর গত হয়ে যাওয়া প্রেমিক- জন্মপরিচয়হীন ছিল। এই সিদ্ধান্ত পাকাপোক্ত হবার পরে নিজেকে খুব ‘অপবিত্রা’ মনে হচ্ছিল তাঁর। ‘ছি: একজন বেজন্মা আমাকে ছুঁয়ে ছিল। এর আগে আমার মরণ কেন হলো না!’। ছিটেফোটা যে সব স্মৃতি ছিল ওই বেওয়ারিশ প্রেমিকের সাথে, মনে হতেই গা গুলিয়ে আসছে তাঁর। হাতের তালু, আঙ্গুল, নখ অনেকবারই স্যাভলন ডেটল দিয়ে ধুঁয়েছে। তবুও তাঁর ঘেন্না হচ্ছে। নিজ হাতে খেতেও পারছে না। একটা বিভৎস গন্ধ যেন বের হচ্ছে হাত থেকে। উফফ! অসহ্য। ভাগ্যিস, পরিণতির আগেই ছেলে জন্মপরিচয় ফাঁস হলো! না হলে যে সন্তান গর্ভে আসতো সেও তো হতো – বাস্টার্ড চাইল্ড। বাচ্চাটাকেও হয়তো শেয়াল-কুকুরের খাবার বানিয়ে দেয়া লাগতো। চারপাশে এতো ভাল মানুষ, সবার কত কত বড় পিতৃপরিচয়। সেসব রেখে এক বেওয়ারিশের সাথে? নাহ আর ভাবতে পারছে না সে। Continue reading “বেওয়ারিশ বেজন্মা (প্রথম পর্ব)”