পিৎজা দোকানের রূপবতী (দ্বিতীয় পর্ব)

মনের ভেতর নানান প্রশ্ন উঁকিঝুঁকি দিতে লাগলো। আচ্ছা, এই মেয়েটির বয়স কতো? ওর নাম কি? থাকে কোথায়? সে কি বাঙালী? কমপ্লেকশন তো তাই বলছে। আমার কেন জানি মনে হচ্ছে ওর বয়স বড়জোর সাতাশ কিংবা আটাশ। বেশিও হতে পারে। কোথায় যেন পড়েছিলাম ওই বয়সে মেয়েদের রূপ খোলে। যিনি এই কথাগুলো লিখেছিলেন তিনিও নিশ্চয়ই আমার মতন কেউ। গুড অবজারভেশনিস্ট।
মেয়েটি কাউন্টারের ইটালিয়ান লোকটাকে বলল,
– “লার্জ পাই টু গো” প্লিজ।
কথাটা শুনে আমি মনে মনে খুশি হলাম। লার্জ পাই বানাতে সময় লাগে। পনেরো মিনিটের কম না। পনেরো মিনিট অনেক সময়। মেয়েটা আমার উল্টো দিকের চেয়ারটায় বসেছে। Continue reading “পিৎজা দোকানের রূপবতী (দ্বিতীয় পর্ব)”