গ্রুপের গ্রুমিং ফ্রুমিং

দিন শেষে আমরা ভয়ংকর সামাজিক হয়ে উঠছি! মুখপুস্তিকা আমাদের যেমন পারিবারিক বন্ধন কে হালকা করে দিচ্ছে, এই মতে সবাই যখন হা-না ভোটে ব্যাস্ত। তখন আবিষ্কার করলাম আসলে আমাদের কে এটা ভয়ংকর সামাজিক করে দিচ্ছে দিন দিন! একটু ঝেরে কাশি তবে! ধরেন আপনার স্কুল কলেজ এবং বিশ্ববিদ্যালয় আলাদা। আপনাকে মুখপুস্তিকা কারেন্ট জালে আটকে ফেলবে। কিছু না, আপনার স্কুলের একটা গ্রুপে এড করবে কেউ, সাথে সাথে স্কুল সার্টিফিকেটের ব্যাচ গ্রুপ। এর পর কলেজের গ্রুপ, সেইখানেও সার্টিফিকেটের ব্যাচ গ্রুপ,সাথে অনুষদ বা ডিপার্টমেন্ট ব্যাচ গ্রুপ। এইগুলোকে স্ট্রং করতে বৃহত্তর এস এস এসি এবং এইচ এস সি গ্রুপ। টায়ার্ড? Continue reading “গ্রুপের গ্রুমিং ফ্রুমিং”

অদ্ভুত আঁধার (দ্বিতীয় পর্ব)

বিপাশা একদিন খুব ভীতসন্ত্রস্ত অবস্থায় দেখা করতে এসেছিল আমার সাথে, বশিরের অনুপস্থিতিতে বিপাশার সাথে সেটিই আমার একমাত্র দেখা। বিপাশাকে একা পেয়ে বুক চিড়ে আমার কলজে বেরিয়ে পড়ার উপক্রম হওয়ার কথা, কিন্তু ওকে দেখে আমি উলটো আতঙ্কিতই হলাম। ওর মুখমণ্ডল যেন বিষাদের বিবর্ণ ক্যানভাস, কণ্ঠস্বর কুচকুচে কাকের মতো কর্কশ, চোখের নিচে কালশিটে। এতটা বিপর্যস্ত বিপাশাকে আমি আগে কখনও দেখিনি, দেখব বলে চিন্তাও করিনি।
– ‘নাজিম ভাই, আপনার তো বদরুল বাহারের সাথে বেশ ঘনিষ্ঠতা। স্কেচটা তাই আপনার কাছেই দিয়ে গেলাম। এটা দয়া করে তার কাছে পৌঁছে দেবেন, কিন্তু তিনি যেন কোনোভাবেই জানতে না পারেন স্কেচটা আমার আঁকা’
বলেই বিপাশা চলে যেতে উদ্যত হলো। মোড়ানো স্কেচটা খুলে দেখি গোটা বাহার ভাইকে আঁকলেও কেবল তার চোখ দুটো আঁকেনি বিপা! Continue reading “অদ্ভুত আঁধার (দ্বিতীয় পর্ব)”

কমল দাশগুপ্ত এসেছিলেন

‘সৎ পাত্রে কন্যা দান করলে বাবা যেমন নিশ্চিন্তে থাকেন, তেমনি নিশ্চিন্ত থাকতেন কাজী নজরুল ইসলাম সুরকার কমল দাশগুপ্তকে গান সুর করতে দিয়ে।’ উপমহাদেশের অন্যতম গুণী সুরকার, সংগীতজ্ঞ কমল দাশগুপ্ত প্রসঙ্গে এমনটাই মন্তব্য করেছেন নজরুল বিশেষজ্ঞরা। এমনকি প্রথিতযশা সংগীতশিল্পী ফিরোজা বেগমও জীবনকালে প্রথম আলোকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে এ মন্তব্য করেছিলেন। আজ উপমহাদেশের গুণী এই সুরকারের ৪৫তম প্রয়াণ দিবস। ১৯৭৪ সালের ২০ জুলাই ৬২ বছর বয়সে নীরবে বিদায় নেন এই সংগীত ব্যক্তিত্ব। ছেলে শাফিন আহমেদসহ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অনেকেই আজ শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করেছেন কমল দাশগুপ্তকে। ‘পৃথিবী আমারে চায়’-এর মতো জনপ্রিয় আধুনিক গানসহ প্রায় আট হাজার গানের সুর করেছেন কমল দাশগুপ্ত। যার মধ্যে ছিল আধুনিক, নজরুলসংগীত, ভজন, গীত, গজল, কাওয়ালি ইত্যাদি। ৩০ বছর তিনি গ্রামোফোন কোম্পানিতে প্রধান সংগীত পরিচালক হিসেবে কাজ করেছেন। Continue reading “কমল দাশগুপ্ত এসেছিলেন”

নৈঃশব্দ্য

গাঁয়ের এক ফুপুকে পাত্রপক্ষ দেখতে এসেছে। পাত্রের চাচা বলল,
– মাটিত পানি ঢালেন’।
সকলে হন্তদন্ত হয়ে পানি ঢাললেন মাটির মেঝেতে। পাত্রের চাচা পান চিবুতে চিবুতে বললেন,
– ‘দেখি মা, খালি পায়ে এই পানির মধ্যে হাঁটো’।
ফুপু হাঁটলেন। শুকনো মাটিতে তার ভেজা পায়ের তালুর ছাপ পড়েছে। সেই ছাপের দিকে দীর্ঘসময় তাকিয়ে রইলেন পাত্রের চাচা। পানের পিক ফেলতে ফেলতে বললেন,
– ‘নাহ! এই মাইয়া অইব না। এই শঙ্খিনী। শঙ্খিনী মাইয়া হয় অস্থির। ধর্মে মন থাকে না। পরপুরুষের প্রতি আসক্ত হয়, গুরুজনের প্রতি শ্রদ্ধা থাকে না। এই মাইয়া বাদ’।
তিনি পায়ের ছাপ দেখে মেয়ের ভালো মন্দ বলে দিতে পারেন। তার মতে, মাইয়া মাইনসের কপাল লেখা থাকে পায়ের তলে। পদ্মিনী নারী সবচেয়ে ভাল। Continue reading “নৈঃশব্দ্য”

Perfect in Imperfection

একটু সময় দিন, আপনার মানুষটাকে Perfect হতে হবে তাই না? খুব সহজভাবে বলি, মানুষ কখনো Perfect হতে পারে না। কারন Perfect মানেই হল পূর্ণ, সম্পূর্ণ। Perfect মানুষের কোন কিছুর প্রয়োজন হয় না। সুতরাং যে Perfect তার আপনাকেও দরকার নেই। কি যেন বললেন, মেয়েটা immature, বেশি emotional পাগলামি করে সারাক্ষণ, জ্বালায় আপনাকে তাইনা?
Immaturity is beauty.
Immaturity is innocent & loyalty
Immaturity is feel, fear & pure.
Immaturity is soul, love, care & cure.
দুজনে সারাক্ষণ Mature দের মত আচরণ করলে সেটা আর ভালোবাসা থাকে নারে ভাই। সেখানে একটা আত্মসম্মানবোধ দুজনকে সামজিক দায়বদ্ধতা থেকে বাঁধা দেয়। একসাথে থাকাটাই সবকিছু নয়। ভালোবাসা কোন অফিস না, এখানে এত punctuality এর কিছু নেই। Continue reading “Perfect in Imperfection”

অ্যাডলফ হিটলার

আমরা সবাই হিটলার সম্পর্কে কমবেশি জানি। জার্মানদের শ্রেষ্ঠ জাতি হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করার লক্ষ্যে ২য় বিশ্বযুদ্ধের খলনায়ক হিসেবে তার বর্বরতার কথা জানি। কিন্তু এই হিটলারকে তৈরী করেছিল কে সেটা কি জানি? হিটলারকে তৈরী করেছিলেন জার্মান নাট্যকার এবং কবি ‘ডিট্রিক একার্ট’। ডিট্রিক একার্ট ছিলেন একজন চরম ডানপন্থী কবি যিনি বিশ্বাস করতেন আর্য রক্ত এবং বংশের উত্তরাধিকারী জার্মানরা শ্রেষ্ঠ। তবে কমিউনিষ্ট আর ইহুদিদের সাথে বংশবিস্তার করার কারণেই জার্মানরা পতিত হচ্ছে। সে কারণেই ১ম বিশ্বযুদ্ধের পর ১৯১৯ সালে তিনি প্রতিষ্ঠা করেন জার্মান ওয়ার্কার্স পার্টি। ১ম বিশ্বযুদ্ধে পরাজিত হওয়ার পরে জার্মানদের অবস্থা তখন খুব করুণ। মিত্রবাহিনীর সাথে তখনকার জার্মান শাসকদের করা ‘ভার্সেই চুক্তি’ মোতাবেক জার্মানীকে তখন ১ম বিশ্বযুদ্ধের ক্ষতিপূরণ হিসেবে দিতে হত ২৬০ মিলিয়ন গোল্ড মার্ক, যার বর্তমান বাজার মূল্য ৮৬০ বিলিয়ন ডলার। Continue reading “অ্যাডলফ হিটলার”

Page 2 of 512345