অদ্ভুত আঁধার (তৃতীয় পর্ব)

বিপাশা তাকে চিনেছিল আমার মাধ্যমেই, আমিই ওকে উপহার দিয়েছিলাম ‘আসছে ফাগুনে দ্বিগুণ হব’ বইটি। আমাদের চায়ের আসরে বৃহত্তম আকর্ষণ ছিল বিপাশার কণ্ঠে বদরুল বাহারের প্রেমের কবিতা— ফের যদি পাই তোমার দেখা ভিন্ন কোনো গ্রহে; সেথাও আমি চাইব তোমায় চুম্বন এবং দ্রোহে। জগৎজুড়ে আঁধার যখন, জগৎ যখন ঘুমোয়; জলের তোপে জ্বালব আগুন চারদলীয় চুমোয়। এত বছর পরও বিপাশা আমাকে প্রথম দর্শনেই চিনে ফেলল, প্রদর্শনী শেষে আমাকে নিয়ে চলল ওর বাড়িতে। বনশ্রীর বাড়িটায় বশির-বিপাশা থাকে, ওদের একমাত্র ছেলে দার্জিলিংয়ে পড়ে। বশির গেছে ছেলেকে দার্জিলিং থেকে আনতে। বাসায় বিপাশা আর আমি।

এক যুগ আগে বিপাশার জন্য যে উদ্বাহু উন্মাদনা ছিল আমার পরানের গহিন ভেতরে, Continue reading “অদ্ভুত আঁধার (তৃতীয় পর্ব)”