শরীরী

বলা ঠিক না যদিও, আসল ব্যাপার হলো নারী-পুরুষের গোপন সম্পর্কের বিষয়টা প্রথম বুঝতে পেরেছিলাম মা-বাবার দেহমিলনের দৃশ্য দেখে। বয়স তখন চার কি পাঁচ! শুয়েছিলাম মায়ের পাশেই। ঘুমঘোরে বিপুল বিক্রমে উদ্যত বাবাকে দেখে মনে হয়েছিল বহিরাগত কোনো আক্রমণকারী! দেহমিলনের দীর্ঘ যুদ্ধের পরিসমাপ্তি মধুর মনে হয়নি মোটেও। বরাবরই ভেবেছি কোনো এক বহিঃশত্রুর হাত থেকে অবশেষে নিস্তার পেল এক যুদ্ধবিধ্বস্ত নারী। বলা বেশী হবে, বাবা যখন মাকে ভীষণভাবে পেণিট্রেট করতো তখন সন্ত্রস্তই হয়েছি। চেঁচাতে চেয়েছি মা’কে তীব্রভাবে কাতরে শিউরে উঠতে দেখে। ভীতিকর সেই অনুভূতিকে মনে হয়েছে জান্তব! একেক রাতে সে কি প্রচন্ড অনুপ্রবেশ বাবার। আধো আঁধারে চোখ বুঁজে ভয়ে কাতর হতাম। দুটো মানব মানবীর শরীরী সহাবস্থানের প্রাণপণ চেষ্টার কারণ শনাক্ত করতে না পেরে মুখ গুঁজে ঘুমানোর চেষ্টা চালিয়েছি বরাবর। ঘুমের ভান করে অনুচ্চ স্বরে বলেই বসেছি,
– ‘মা, বাবা তোমাকে মারছে কেনো!’ Continue reading “শরীরী”