অভয়ের বিয়ে (শেষ পর্ব)

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের “হঠাৎ দেখা” কবিতাটা পড়ার সময় পুনা একেবারে চুপচাপ আমার বুকে কান পেতে শুনলো। আর একটু পরে পরে আমায় আঁকড়ে ধরলো। আরো অনেক কবিতা ওকে শুনিয়েছি। ওর অনুরোধে আমার লিখা “ইচ্ছে” কবিতাটাও শোনালাম।
“আমার খুব ইচ্ছে করে কারো প্রতীক্ষার প্রহর হতে
কাকচক্ষু জলের মতো কারো চোখে
তীব্র অনুভূতির টলটলা অশ্রুর কারণ হতে
ভালবেসে যে আমায় প্রার্থনা করবে ঈশ্বরের দুয়ারে
ইচ্ছে করে কারো চুলের সিঁথির ভাঁজে
সিঁদুর পরা আশীর্বাদের দাবিদার হতে।”
কবিতাটা আবৃত্তি করার সময় পুনা পাঞ্জাবি খামচি দিয়ে ধরেছিলো আমার বুকের কাছে ।
– “তোমাকে বোঝাতে পারবো না এই কবিতাটা আমার কত প্রিয়। বিশ্বাস করবে, Continue reading “অভয়ের বিয়ে (শেষ পর্ব)”