অ্যা লং হিষ্টোরি অফ অ্যা শর্ট জার্নি (সপ্তম পর্ব)

উনিশ
রাত কত হয়েছে কিছুই জানি না। আমি প্রচন্ড পেটের যন্ত্রনায়কাত্রাতে কাতরাতে বিছানার উপর গিয়ে পরলাম। মাথার যন্ত্রনা, তীব্র গরম ভাব আর শারীরিক দূর্বলতা নিয়ে হাস-ফাস করতে লাগলা। খুব দ্রুতই মনে হতে লাগলো, আমি আর নিঃশ্বাস নিতে পারবো না। আবার বমি আসছে। এক দৌড়ে বাথরুমে চলে গেলাম। বমি করা শেষে শাওয়ার ছেড়ে নিচে দাঁড়িয়ে রইলাম বেশ খানিক্ষণ। আমার সারা শরীর থেকে মনে হচ্ছে গরম আভা ঠিকরে বেরুচ্ছে। আমার চামড়ার নিচে এ যেন জলন্ত আগ্নেয়গিরি লুকিয়ে ছিলো। ঠান্ডা পানির প্রবাহ পেতেই যেন ঠিকরে বেরিয়ে এলো সব গরম ভাপ। আমি চোখ বুঝে আমার পরবর্তি করনীয় কি তা ভাবতে লাগলাম। বাকি রাত টুকু আল্লাহ আল্লাহ করে পার করে দিতে পারলে সকালে আমি ফার্মেসি থেকে ঔষধ কিনে আনতে পারবো কিংবা খুব খারপা লাগলে আমি ডাক্তারও দেখাতে পারবো। এই মূহুর্তে রাত টা পার করাই আমার জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে। Continue reading “অ্যা লং হিষ্টোরি অফ অ্যা শর্ট জার্নি (সপ্তম পর্ব)”