দীর্ঘস্থায়ী দীর্ঘশ্বাস

মেয়েটি ঊর্ধ্বাঙ্গের পরিধেয় বস্ত্র খুলে ফেললো। তারপর খুলে ফেললো নিম্নাঙ্গের বস্ত্র। একঝটকায় খুলে ফেলে দিলো অন্তর্বাসও। নিজেকে একঝলক দেখে নিয়ে বের হলো রাস্তায়। টানটান উদ্ধত বক্ষ, কাঁধে ব্যাগ, নিতম্বের দোল, চারপাশে পিনপতন নীরবতা অহেতুক সোরগোল। দুটো চোখহীন ফড়িং উড়ছে পিছুপিছু! কিছু ঝরাপাতা ছুটে গেলো মাতৃবৃক্ষ ভুলে। মেয়েটির ভ্রূক্ষেপ নেই, সে আপনমনে চলে, স্বীয়তালে হাঁটে! পথ থেকে পথে, মাঠ থেকে মাঠে! ততক্ষণে চাউর হয়ে গেছে দিকেদিকে, যৌবন হারানো বৃদ্ধ, উঠতিবয়সী যুবক, দাম্পত্যে অসুখী গোবেচারা গৃহকর্তা, কর্মজীবী, ধর্মজীবী সকলশ্রেণির পুরুষ দলেদলে ছুটলো, আদুলগায়ের মেয়েটিকে দেখবে বলে!

সকলে যখন পৌঁছলো গিয়ে রাস্তার মোড়ে। Continue reading “দীর্ঘস্থায়ী দীর্ঘশ্বাস”