শশুরবাড়ী ও আমাদের ভালো থাকা

এই লেখাটা কারো এখনই দরকার হবে আর কারো ভবিষৎএ দরকার হবে। কারন ছোট বেলা থেকেই মেয়েদেরকে শেখানো হয় যে শ্বশুরবাড়ি হচ্ছে মেয়েদের আসল ঘর, সেখানেই জীবন কাটাতে হবে, তাঁদের সবকিছু মাথা পেতে নিতে হবে ইত্যাদি ইত্যাদি। বাস্তবতা কিন্তু একেবারেই ভিন্ন! সত্য এটাই যে জীবনের অন্য সব ক্ষেত্রে যেমন ভালোমন্দ মেশানো মানুষ আছে, শ্বশুরবাড়িতেও ঠিক তাই। সেখানে এমন মানুষ পাওয়া যায় যারা সত্যিকার অর্থেই আপন মনে করে। আবার এমন মানুষও মেলে যারা অকারণেই করে শত্রুতা। কিন্তু কীভাবে চিনবেন কে আপন আর কে পর? শ্বশুরবাড়িতে কে আপন আর কে পর, এটা চেনার সমস্যা হতে পারে নারী-পুরুষ যে কারো ক্ষেত্রেই। জেনে নিন ৫টি আচরণের কথা। এই ৫টি আচরণ কারো মাঝে দেখতে পেলে নিশ্চিত হতে পারেন যে তিনি আপনার মঙ্গল কামনা করেন না। সেক্ষেত্রে দূরত্ব বজায় রাখাটাই একমাত্র সমাধান।

♠ তিনি স্বামী ও স্ত্রীর মাঝে ঝগড়া তৈরির চেষ্টা করেন – Continue reading “শশুরবাড়ী ও আমাদের ভালো থাকা”

দাম্পত্য জীবনে ব্যর্থ যে নারী

একগুঁয়ে ও জেদী নারীরাই দাম্পত্য জীবনে ব্যর্থ, এমনকি আত্মীয়দের সাথে সুসস্পর্ক গড়তেও তারা অসফল। যে নারী সম্পর্ক গড়ার ক্ষেত্রে আবেগ-ভালোবাসা আর নমনীয়তার বিচক্ষণতা হারিয়েছে আর নিজের মতামত ও জিদকে প্রাধান্য দিয়েছে, সেই দাম্পত্য জীবনে সবচেয়ে বেশী ব্যর্থ হয়েছে। ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। কিন্তু কেন?

(১) কেননা তখন সে স্বামীর সাথে টানাটানি ও ঠেলাঠেলিতে প্রবেশ করবে। বিজয়ের জন্য নিজের আমিত্বকে জাহির করতে চাইবে। আর তখনই সে স্বামীর জিদের সামনে পরাজিত হবে। এমনকি তার বিরুদ্ধে নিকটস্থ ব্যক্তিরাও জেদী হয়ে উঠবে। কেননা পুরুষরা জেদী স্ত্রী বা একগুঁয়ে বোনের সামনে আরো বেশী কঠোর ও জেদপ্রবণ হয়ে উঠে। কিন্তু নমনীয় নারীর সামনে তারা হয় কোমল। Continue reading “দাম্পত্য জীবনে ব্যর্থ যে নারী”

সংসার ও প্রবাস কাহন (শেষ পর্ব)

আমার স্বপ্নের বাড়ি, সোনার সংসার সব ভেংগে ছুড়ে চুরমার হয়ে যাচ্ছে। তাকে অনেকবার কল করি। প্রায় একশবার কল করার পর সে রিসিভ করে। তাকে অনেক বুঝিয়েছি, অনেক ক্ষমা চেয়েছি কিন্তু হায় কপালের লিখন করা যায়না খন্ডন। এভাবে দিনের পর দিন তাকে কল করে যাচ্ছি। সে একটি বারের জন্যও আমাকে বুঝার চেষ্টা করেনি। ঐদিকে খবর পেলাম তার বিয়ে ঠিক হয়ে গেছে। আমার ভাইয়েরা তার নামে মামলা করে। আত্মিয় স্বজন, ভাই বন্ধু সবাই বার বার পরামর্শ দিচ্ছে মামলা করার জন্য। নিজের বিবেককে গিলা টিপে সবার পরামর্শ গ্রহণ করলাম। মামলায় আমারও পরিপূর্ণ সায় ছিল। একপর্যায়ে তখনকার আমার দেন মোহর বাবদ তিনলক্ষ টাকা সে দিয়ে দিল। এই টাকা তার কাছে হাতের ময়লার মত ছিল। কিন্তু ফাইনাল শুনানির আগে অনেক ভাবে তাকে বুঝাতে চেষ্টা করেছি, অন্তত একটা রুম নিয়ে হলেও যেন সে আমাকে রাখে। কিন্তু তা আর হয়নি, পরিণাম আমি ডিভোর্সি। Continue reading “সংসার ও প্রবাস কাহন (শেষ পর্ব)”

বউ পাগলা

আমার বিয়ের ১৯ দিন আগে আমি প্রথম চাকরি পাই। মাত্র ১৯ দিন আগে। প্রেম করেছিলাম আপনাদের ভাবীর সাথে। এক সাথেই পড়াশোনা করতাম। আমার হয়ত বিয়ের জন্য সঠিক সময় হয় নাই তখন কিন্তু তনু মানে আপনাদের ভাবীর তখন বিয়ের জন্য পারফেক্ট সময় ছিলো। তাই চাকরিটা পেয়েই বিয়ের সিদ্ধান্ত নিলাম। আব্বা আম্মাও বেশ সাপোর্ট দিলো। তবে আমার বেতন একটা সংসার টানার জন্য যথেষ্ট ছিলো না। একদমই না। তাই আমি একটু দুশ্চিন্তায় ছিলাম বিয়ের ব্যাপারে। যাই হোক নতুন অফিসে কেউ সিগারেট খেতেও আমাকে ডাক দিতো না। নতুন হিসেবে অফিসে আমাকে তেমন কেউ পাত্তাই দিত না। আমিই সেধে সেধে গিয়ে কথা বলতাম। অফিস শেষে মোটামুটি সবাইকে দেখতাম নিচে দাঁড়িয়ে সিগারেট খায়। গল্প করে। কিন্তু একজন সিনিয়ির স্যারকে (রফিক) কখনো দাড়াতে দেখতাম না। অফিস ছুটির পর দেখতাম সে ডানে বামে না দেখে সোজা বাসার দিকে হাঁটা দিতো। Continue reading “বউ পাগলা”

মন খারাপের ক্ষনে

মন খারাপ? কিছু ভালো লাগছে না? কান্না আসছে? তার আগে বলুন কেন মন খারাপ করবেন? কার জন্য করবেন? গত কয়েকদিন ধরে আমি নিজে মানসিক ভাবে খুব বিদ্ধস্ত। ইবুকে কয়েকদিন আগে ওর বাবা নিয়ে গিয়েছিলো বলেছে,
– পুলিশ তোমাকে জিজ্ঞেস করলে বলবে বাবার কাছে থাকবো নয়তো তোমাকে জেলে নিয়ে যাবে।
এটার পর থেকে বাবুর ১০৩ জ্বর সে মানসিকভাবে ট্রমাটাইজড! কি মনে হচ্ছে কত সহজে লিখছি তাইতো? না আমার এই কঠিন সময়টারো একটা সুফল আছে। যাদেরকে গুরত্ব দিইনি তারা এসময় কাছে এসেছে আর আমি বুঝেছি একলা চলতে হয়। আমি প্রচুর শক্ত একজন নারী। আমার স্যার আমাকে যোদ্ধা নারী বলে। এটি নিঃসন্দেহে অনেক বড় পাওনা। কিন্তু আমি গত এক বছরের কিছু বেশি সময় ধরে যে কারনে নিজেকে গুটিয়ে নিয়েছিলাম তা ছিলো একদম বোকামী। বলতে পারেন আমার জীবনের চরমতম বোকামী। ব্যাবসায়ের ভাষায় যাকে “লস প্রজেক্ট “বলে। যদিও জীবন ব্যাবসাক্ষেত্র না। Continue reading “মন খারাপের ক্ষনে”

সংসার ও প্রবাস কাহন (প্রথম পর্ব)

তিনটা পরীর মত কন্যা সন্তান আর প্রসাদ সম বাড়ি রেখে আজ আমার পরিচয় শুধুই “ডিভোর্সি”। আমি দুইভাই একবোনের মধ্যে সবার বড়। বাবা শহরের একজন সৎ ব্যবসায়ী। অনেক কষ্টে শহরেই কয়েক কাটা জায়গা ক্রয় করেছেন বাবা। ইন্টার পরীক্ষা দেওয়ার পর পরই এক দুবাই প্রবাসী টাকার কুমিরের সাথে বিয়ে দেওয়া হয়। বিয়ের একমাস না যেতেই সে আমাকে সাথে করে দুবাই চলে গেলেন। খুবই সুখে দিনগুলো কেটে যাচ্ছে। গভীর রাতে লং ড্রাইবে যাওয়া, মরুভূমিতে বসে চাঁদ দেখা, প্রতি উইক এন্ডে বীচে যাওয়া যেন রুটিনে পরিণত হয়ে গিয়েছিল। আমাদের সুখকে বহুগুণে বাড়িয়ে দিতে একদিন জানতে পারলাম আমি মা হতে চলেছি। তাকে যখন জানালাম, সে খুশীতে কি করবে, কাকে বলবে ভেবে পাচ্ছিলনা। অতিরিক্ত যত্ন আর ভালবাসায় আমাকে অতিষ্ঠ করে তুলছিল। Continue reading “সংসার ও প্রবাস কাহন (প্রথম পর্ব)”

Page 1 of 3123