বন্ধু দিবসের বন্ধুত্ব

প্রতি বছর আগস্ট মাসের প্রথম রোববারে সারা বিশ্বজুড়ে বন্ধু দিবস পালন করা হয়। কিন্তু আমরা অনেকেই জানি না বন্ধু দিবস কিভাবে এলো। ১৯৩৫ সাল থেকেই বন্ধু দিবস পালনের প্রথা চলে আসছে আমেরিকাতে। জানা যায় ১৯৩৫ সালে আমেরিকার সরকার এক ব্যক্তিকে হত্যা করে। দিনটি ছিল আগস্টের প্রথম শনিবার। তার প্রতিবাদে পরের দিন ওই ব্যক্তির এক বন্ধু আত্মহত্যা করেন। এরপরই জীবনের নানা ক্ষেত্রে বন্ধুদের অবদান আরতাদের প্রতি সম্মান জানানোর লক্ষেই আমেরিকান কংগ্রেসে ১৯৩৫ সালে আগস্টের প্রথম রোববারকে বন্ধু দিবস হিসেবে পালনের সিদ্ধান্ত নেন। Continue reading “বন্ধু দিবসের বন্ধুত্ব”

শূন্য প্রেক্ষাগৃহ

“তোমার জন্য অস্থিরতা
বুকের ভেতর আগুন,
তোমার জন্য স্বপ্ন দেখা
হরেক রকম ফাগুন।
তোমার জন্য বর্ণহীন আজ
বৃষ্টি ছূয়ে জল,
তোমার জন্য দিনের শেষে
বৃষ্টি অবিরল।
তোমার জন্য স্বপ্ন পোড়াই
ধোয়ায় ওড়ে ইচ্ছে,
তোমার জন্য দিবা রাতি
ভালই কেটে যাচ্ছে।”

কোন কোন সময় আমারো প্রচন্ড ইচ্ছে করে ভালবাসতে। হিরণ্ময় সকাল, উদাস দুপুর আর অলস রাত গুলো কাটিয়ে দেই অপেক্ষার প্রহর গুনে গুনে। শ্যাওলা ধরা এই চারদেয়ালের ঘরের পলেস্তারার মত, হৃদয়ের ভালোবাসার আবরনটুকু খসে পড়ছে দিন দিন। তার ফাঁকে উকিঁ মারছে আমার বিবর্ন চেতনা। Continue reading “শূন্য প্রেক্ষাগৃহ”

ভালোবাসা কারে কয়

“কাজল মানে নেশা, কাজল মানে ঘোর,
কাজল চোখের কোন মেয়েটা জানে
কে কতোটা ডুবছে অকাতর!”
– সাদাত হোসাইন

ফেবুর শুরুর দিকে আমার ষ্ট্যাটাস গুলো কিঞ্চিত, আরে না না কিঞ্চিত না একটু বেশীই বড় হতো। যখন ডায়েরী লিখতাম তখনও কেন যেন কলমের লাগাম ছেড়ে দিয়ে ডায়েরীর পাতাময় দাপিয়ে বেড়াতাম। একসময় ভাবলাম, যে বন্ধুদের জন্য আমার লেখা। তারা মনে হয় আমার লেখা পড়ছে না। একদিন এক অল্প পরিচিতা বলেই ফেলল,
– “এই যে মিষ্টার, এতো বড় লিখেন কেন? পড়তে পড়তে জান বেরিয়ে যায়।”
অল্প পরিচিতার এহেন কথায় আমি দারুন বিষম খেলাম। আমার ভেতরের আমি কবিতা আওড়াতে লাগলো – Continue reading “ভালোবাসা কারে কয়”

বন্ধুর বন্ধুত্বতা

বন্ধু মানে সকাল বেলা
বন্ধু মানে সাঁঝ
বন্ধু মানে মনের কথা
বলতে কিসের লাজ!!
বন্ধু মানে ফাঁকা মাঠে
একটুখানি হাওয়া
বন্ধু মানে এই জীবনে
অ নে ক খানি পাওয়া!
– অনিরুদ্ধ বুলবুল

বন্ধু তো অনেক আছে কিন্তু সবাই কি আর বেষ্ট ফ্রেন্ড বা ঘনিষ্ট বন্ধু হতে পারে? সবাই কি আর আপন, আত্নার আত্নীয় হয়? আপন জন, বেষ্ট ফ্রেন্ড, আত্নার আত্নীয় হতে কিন্তু যোগ্যতাও লাগে। যেমন যোগ্যতা লাগে, স্কুল-কলেজ-ভার্সিটিতে ভর্তি হতে কিংবা চাকুরি পেতে। এপর্যন্ত দেখা ও অভিজ্ঞতা থেকে বলছি, স্কুলের ফ্রেন্ডরাই বেষ্ট, ১০০% বিশুদ্ধ। কলেজের ফ্রেন্ড গুলা ৭০% বিশুদ্ধ আর বাকি ৩০% ভেজাল। আর ভার্সিটি লাইফের বেশীরভাগ ফ্রেন্ডরাই সার্থবাজ, সুযোগ সন্ধানী আর কুটিল প্রকৃতির হয়ে থাকে। Continue reading “বন্ধুর বন্ধুত্বতা”