ইহুদীকথা (দ্বিতীয় পর্ব)

আমেরিকার উত্তর পূর্ব উপকূলের ১২ টি বিখ্যাত বিশ্ববিদ্যালয়কে এক সাথে আইভি লীগ বলা হয়। ২০০৯ সালের ১টি জরিপে দেখা গেছে আইভি লীগ বিশ্ববিদ্যালয়ের সব ক’জন ভিসি-ই ইহুদী। হতে পারে ইহুদীরা আমেরিকার মোট জনসংখ্যার ২ শতাংশ, কিন্তু আমেরিকান রাজনীতিতে তাদের প্রভাব একচেটিয়া। আমেরিকার ১০০ জন সিনেটরের ১৩ জন ইহুদী। এর চেয়ে ভয়ংকর তথ্য হল ইহুদীদের সমর্থন ব্যতীত কোন আমেরিকান প্রেসিডেন্ট হতে পারেনা, কোন প্রেসিডেন্ট প্রেসিডেন্ট থাকতে পারেনা। বাংলাদেশের রাজনীতিতে ভারতের প্রভাব যতখানি- আমেরিকান রাজনীতিতে ইহুদীদের প্রভাব তার চেয়েও অনেক অনেক বেশি।

আমেরিকার প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে নির্বাচনী ফাণ্ড বা তহবিল সংগ্রহ একটা বড় ধরণের চ্যালেঞ্জ। Continue reading “ইহুদীকথা (দ্বিতীয় পর্ব)”

ফেইসবুক ইন অ্যা নাটশেল

আজকের ফেসবুকের এই আইডিয়াটা জাকারবার্গের ছিল না। জাকারবার্গ আইডিয়া চুরি করেছিলেন। সেখান থেকেই আজকের ফেসবুক। ফেসম্যাশ নামে যে একটা সিস্টেম চলছিল হার্ভাড ইউনিভার্সিটি, যার কাজ ছিল সিস্টেমে আপলোড করা মেয়েদের ছবিতে ভোট করা – হট অর নট। সেই সিস্টেম হ্যাক করে সিকিউরিটি ব্রাঞ্চ ব্রেক করেছিলেন। ঘটনা ২০০৩ সালের ২৮ অক্টোবর। এবং এই হ্যাকের জন্য, বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ তাঁকে দোষি সাব্যস্তও করেছিল। যদিও ফেসম্যাশ’র জনক হিসেবে জাকারবার্গককেই ধরা হয়। কিন্তু ফেসম্যাশের আইডিয়া ছিল তাঁর কাছের এক বন্ধুর। উনি সেই আইডিয়াকে ইমপ্লিমেন্ট করেছিলেন মাত্র। ‘দ্য হার্ভাড ক্রিমসন’ এর একটি সম্পাদকীয় পড়লে আরো বিস্তারিত জানতে পারবেন। ২০০৪ সালের ৪ ফেব্রুয়ারি নতুন ওয়েবসাইট চালু করেন, নাম দেন দ্যফেসবুক.কম। Continue reading “ফেইসবুক ইন অ্যা নাটশেল”

অ্যাপল ইন অ্যা নাটশেল

অ্যাপলের জনক যদিও স্টিভ জবসকে বলা হয়, তবে ১৯৭৬ সালের এপ্রিলে যাত্রা শুরু করা প্রতিষ্ঠানটি শুরু হয়েছিল তিনজনের হাত ধরে। অ্যাপলের প্রথম প্রডাক্ট অ্যাপল – ১, যার জনক ছিলেন পার্টনার ওজনিয়াক। অ্যাপল – ১ এর সকল ডিজাইন ও নির্মাণ হয়েছিল হাতে, এবং তা এককভাবেই করেছিলেন ওজনিয়াক। প্রতিষ্ঠার এক বছর পর, ১৯৭৭ সালে প্রতিষ্ঠানটি ইনকর্পোরেশন করা হয়। আরেক পার্টনার ওয়াওনিকে বাদ দিয়ে। যদিও বলা হয়, ওয়াওনি স্বেচ্ছায় সরে দাঁড়িয়েছিলেন। তবে অনেকেই মনে করেন, স্টিভ জবস ও ওজনিয়াক কৌশলে তাকে সরিয়ে দেন। Continue reading “অ্যাপল ইন অ্যা নাটশেল”

প্রানের বর্নমালা, কালের লিখন (শেষ পর্ব)

‘অভ্র’র সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অবদান হলো ইন্টারনেটে বাংলা লেখার জন্য এই কি-বোর্ডের ব্যবহার। অর্থাৎ বাংলা ভাষা এখন পার্সোনাল কম্পিউটারের গন্ডি ছাড়িয়ে স্থান করে নিলো ইন্টারনেটের ভাচুর্য়াল পাতায়। আর এই কি-বোর্ড হলো সবার জন্য উন্মুক্ত। এই বর্ণ সৈনিকের ‘অভ্র’ বর্তমানে বাংলা লেখার অন্যতম জনপ্রিয় লেআউট হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে। কম্পিউটারে বাংলা লেখার জন্য অনেকগুলো কি-বোর্ড বর্তমানে প্রচলিত। অনেকেই অক্লান্ত পরিশ্রম করেছেন তাদের প্রচেষ্টাগুলোকে সফল করা জন্য।

কেন করেছেন? শুধুই ব্যবসায়িক সম্ভাবনার কথা চিন্তা করে? উহু। নতুন কিছু করার নেশা, Continue reading “প্রানের বর্নমালা, কালের লিখন (শেষ পর্ব)”

প্রানের বর্নমালা, কালের লিখন (পঞ্চম পর্ব)

এই প্রজেক্টের আইডিয়া তার মাথায় আসে ২০০৩ এ। তখন একুশে বইমেলায় বাংলা ইনোভেশন থ্রু ওপেন সোর্স, বায়োস নামে একটা সংগঠন বাংলা নামে একটা প্রদর্শনী করে। এখানে পুরো ইন্টারফেসটা ছিলো বাংলায় এবং বাংলায় লেখালেখিও করা যেতো। মেহেদি হাসান তাদের বাংলা ফন্টটা ইন্টারনেট থেকে ডাউনলোড করেন বাংলায় লেখালেখির জন্য। কিন্তু দেখা গেলো এই ফন্ট ব্যবহার করে লেখার জন্য উইন্ডোজে কোন কি-বোর্ড নেই। অনেক ঝামেলা করে মাইক্রোসফট ওয়ার্ডের ইনসার্ট ক্যারেক্টার থেকে ওই ফন্টের ক্যারেক্টারগুলো ব্যবহার করে বাংলা লেখা সম্ভব।

কিন্তু সরাসরি ওই ফন্টের জন্য কোন কি-বোর্ড ছিলো না। মানে হলো, ওই ফন্টের জন্য একটা কি-বোর্ড থাকলে Continue reading “প্রানের বর্নমালা, কালের লিখন (পঞ্চম পর্ব)”

প্রানের বর্নমালা, কালের লিখন (চতুর্থ পর্ব)

‘বিজয়’ এর প্রথম ভার্সন করা হলো মূলত Mac SE, Mac+512 KE এবং Mac-2 কম্পিউটারের জন্য। পরবর্তীতে উইন্ডোজের জন্য বিভিন্ন ভার্সন রিলিজ করেন তিনি। ধীরে ধীরে পার্সোনাল কম্পিউটারে বাংলা লেখার জন্য সবচেয়ে জনপ্রিয় কি-বোর্ডে পরিণত হয় ‘বিজয়’। প্রায় ৯৯ শতাংশ বাংলা লেখাই এই লেআউট ব্যবহার করে লেখা হতো। মোস্তফা জব্বারের এই অবদানের ফলে কম্পিউটারে বাংলা লেখা সাধারণ মানুষের কাছে খুব সহজ হয়ে গেলো।

সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ব্যাপার হলো, তার এই অবদানের ফলে প্রিন্টিং জগতে বাংলা ছাপার ক্ষেত্রে এক নতুন দিগন্তের সূচনা হলো। Continue reading “প্রানের বর্নমালা, কালের লিখন (চতুর্থ পর্ব)”

Page 1 of 912345...Last »