এভাবেও ফিরে আসা যায়

জানো কি আমার যত অভিমান,
মেঘে ঢাকা ওই আকাশের সমান।

মানুষের মাঝে গড়ে ওঠা সম্পর্কগুলা বিনিময়-প্রথা মেনে চলে না। সুতরাং তুমি কাউকে খুব বেশি মূল্য দিলে বিনিময়ে সেই মানুষটাও তোমাকে মূল্য দিবে – এটা আশা করো না। প্রত্যেকটা মানুষের প্রায়োরিটির লিস্ট আলাদা। তোমার লিস্টে যে মানুষটার নাম এক নাম্বারে আছে, তুমি হয়তো তার লিস্টেই নেই। থাকলেও সেটা শুরুর দিকে নাই। তোমাকে এই কঠিন সত্যিটা সহজে মেনে নিতে হবে। এই মেনে নেয়ার নামই জীবন। কাউকে খুব বেশি পরিমাণে গুরুত্ব যদি দাও, তাহলে নিঃস্বার্থভাবেই দিও। কাউকে খুব বেশি কেয়ার করে নিজেও তার কাছ থেকেও অমন কেয়ার পাওয়ার আশা করো, তাহলে কষ্ট পেতে হবে। অনেক রকমের কষ্ট আছে এই পৃথিবীতে। আশা ভঙ্গের কষ্টটা সহ্য করা বড্ড কঠিন। Continue reading “এভাবেও ফিরে আসা যায়”

মোটিভেশনে তুমি আমি

অন্যের অবহেলা নিজের আত্মবিশ্বাসকে কমিয়ে দেয়। ঠেলে দেয় আগামীকালের নতুন আরেকটা অনিশ্চয়তার পথে। তাই অতিরিক্ততা কোন কিছুই মানুষের জন্য শুভ কিছু বয়ে না। সব জেনে বুঝে ও কেউ কেউ নিজকে নতুন ভাবে দাঁড়া করাতে পারেনা। দাঁড়ানোর মত সুস্থতা মানুষের যেমন প্রয়োজন তেমনি সময় সুযোগ বয়স সব কিছুও এবং নিজেকে আরেকবার প্রমান করার জন্য। ‘ইয়েস আই এম পসিবল ‘ কথাটা বলার সাহস সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন সবার জন্যই। তবে মধ্যবয়সের ভুলগুলো প্যারালাইজড করে দেয় কিছু মানুষকে। ভাবতেই বুক কেঁপে উঠে আজকের কিছু ভবিষৎ প্রজন্ম ছেলেমেয়েদের ইমোশনাল স্ট্যাটাস ও তাদের জীবনের গল্পগুলো পড়লে। তারা এতবেশি মাদক ও সোশ্যাল নেটওয়ার্কে আসক্ত হচ্ছে যে তারা কখনো দেশ নেতৃত্ব দিবে ভাবাই যায়না। আর মধ্যবয়সি যারা আছে তারা ধবংস হতে ভয় পায় না ঠিকিই কিন্তু হারিয়ে যায় নিজের ভেতরের স্মৃতিবিষপানে। Continue reading “মোটিভেশনে তুমি আমি”

তোমাদের ভালোবাসি

একটা সময় ছিল যখন বুঝতাম না ভালোবাসা কি জিনিস। নিজের কাছেই প্রশ্ন ছিল কিভাবে একটা মানুষ আর একটা মানুষ কে সহ্য করে। কেন একজন আর একজনকে এতটা সময় ধরে মনের মাঝে নিয়ে থাকতে পারে। এরকমএক প্রশ্ন নিয়ে যখন বড় হচ্ছি ঠিক তখনি ঘটল এক অবিস্মরণীয় ঘটনা। আমি যে ব্যাপার টা বুঝতাম না একদম তাই আমার সাথে হয়ে গেলো। ভালোবাসা, শব্দটা তখন মনের মাঝে বার বার উঁকি দিচ্ছিল আর আমি নিজেকে বুঝাতে চাইছিলাম এটা অন্যকিছু। আর যে এই অঘটনটা ঘটাল তার কথা বললেই নয়। তাকে আমি কখনও দেখিনি। তার সাথে আমার পরিচয় একটা চ্যাট সাইটে। ছেলেটা আমার সাথে অকারনেই কথা বলতো। আমিও বলতাম। দিন যেতে লাগল এভাবেই। একটা সময় আমি অনুভব করি যে তাকে ছাড়া আমার আর কিছু ভালো লাগেনা। সেও আমার সাথে অনেক মিশত। যত দিন যেতে লাগল আমিও পাগল হতে শুরু করলাম। এর মাঝে নিজেকে তার থেকে দূরে নেয়ার অনেক চেষ্টা করলাম কিন্তু কেন জানি পারলাম না। Continue reading “তোমাদের ভালোবাসি”

রাগের গায়ে লাল চাদর

রাগ উঠলে আমি চুপ হয়ে যাই। চুপ মানে একদম চুপ। আমি কল্পনা করে নিই, আমার বাকশক্তি নাই। আমি একদম বোবা। কেউ কিছু বললে সর্বোচ্চ মাথা নেড়ে উত্তর দিই। আমার ধারণা, রাগ সামলিয়ে রাখা পৃথিবীর সবচেয়ে কঠিন কাজ। আমরা জীবনের সবচেয়ে বাজে রকমের ভুলগুলো করে ফেলি রাগের সময়। কাছের মানুষকে যাচ্ছে তাই ভাষায় কথা বলে আঘাত করি। রাগের মাথায় একটা চরম ভুল সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলি। হাই প্রেসারে নিজেরাই অসুস্থ হয়ে পড়ি। পেছনে ফিরে তাকালে আমরা বেশিরভাগ মানুষই দেখবো, রাগের কারণে এমন অনেক কাজ আমরা করে ফেলেছি, যেটার জন্য আজীবন আফসোস হবে। আমার ক্ষুদ্র জীবনে চুপ থাকার চেয়ে কার্যকর রাগের ওষুধ আমি পাই নাই। Continue reading “রাগের গায়ে লাল চাদর”

মোটিভেশন ও ডেল কার্নেগী তত্ত্ব

সিক্স ডিজিট বেতন পাওয়া কিংবা ইউরোপ, আমেরিকায় নিজের ঘরবাড়ি বানিয়ে ফেলা কারো কাছ থেকে মোটিভেশন নেয়ার জন্য এতলোক টিকেট কেটে যায় দেখে খুব একটা অবাক লাগছে না মোটেই। কারণ এখন সময়ই এমন যে, বেশিরভাগ মানুষ জীবিত থেকেও মৃত। আরে ভাই, ঐ বেতন দিয়ে গন্ডায় গন্ডায় বিদেশী পিএইচডি ডিগ্রীওয়ালা লোককে চাকরী দেয় কোন এক আকিজ বা আবুল খায়ের। এখন আবুল খায়েরের কাছ থেকে মুটিভেশন নিতে গেলে প্রথমে আমার আইনের ডিগ্রী, বার কাউন্সিলের মেম্বারশীপ পানিতে গুলে খেয়ে ফেলতে হবে। তারপর বৌরে নিয়া বসে যেতে হবে বিড়ি বানাতে। সেই বিড়ি মাথায় নিয়ে বেচতে হবে কিছুদিন। Continue reading “মোটিভেশন ও ডেল কার্নেগী তত্ত্ব”

গতিবেগ

সিংহের গতিবেগ ঘন্টায় প্রায় ৮০ কিলোমিটার। তবে কিছু হরিণের গতিবেগ কখনও কখনও ৮৫ কিলোমিটারের উপরেও ওঠে। এরপরও সিংহ হরিণকে শিকার করে। কীভাবে করে জানেন? সিংহ যখন হরিণকে তাড়া করে তখন হরিণটি দৌড়ানোর সময় বারবার পিছে ফিরে তাকায়, সিংহটি আর কতটুকু দূরে আছে সেটা দেখার জন্য। এ কারণে হরিণের গতি কমে যায়। অন্যদিকে সিংহটি সামনে দৌড়ানো হরিণটিকে দেখে মনে করে,
– “এই তো, আরেকটু হলেই ওকে আমি ধরে ফেলবো”। Continue reading “গতিবেগ”

Page 1 of 41234