ব্যক্তিগত বিকাশ এবং আন্তঃব্যক্তিগত যোগাযোগ (দ্বিতীয় পর্ব)

মাথায় রাখেন আমরা শুধুমাত্র যেকোনো একটা ঘটনায় একইসাথে ৭ +/- ২ এর বেশি কোনো আগের ঘটনার কথা চিন্তা করতে পারি না। অর্থাৎ ২ মিলিয়ন বিটস তথ্য আমাদের মাথায় ঢুকলেও শেষমেশ আমরা যেকোনো একটা ঘটনায় মাত্র ৫টা থেকে ৯টা তথ্য নিয়ে চিন্তা করতে সক্ষম। এবং সেই চিন্তাও আমরা যা চিন্তা করতে ‘চাই’ তার বাইরে কিছু না। উদাহরণ দেই, ধরেন আপনি জানেন আজকে আপনাকে আপনার বস বিশাল ঝাড়ি দিবেন। আজকে আপনার চাকরি চলে যেতে পারে। আপনি গত পাঁচ বছর ধরে এই অফিসে চাকরি করেন। প্রতিদিন একই রাস্তা ধরে অফিসে যান। আজকেই আপনার চোখে পড়বে রাস্তার পাশে আরেকটা অফিস যার দরজায় ‘লোক নিয়োগ হবে’ নোটিস ঝুলানো। Continue reading “ব্যক্তিগত বিকাশ এবং আন্তঃব্যক্তিগত যোগাযোগ (দ্বিতীয় পর্ব)”

ব্যক্তিগত বিকাশ এবং আন্তঃব্যক্তিগত যোগাযোগ (প্রথম পর্ব)

১৯৭৬ সালে আমেরিকান প্রফেসার ডঃ জন গ্রিন্ডলার এবং উনার ছাত্র রিচার্ড ব্যান্ডলার ব্যক্তিগত বিকাশ এবং আন্তঃব্যক্তিগত যোগাযোগের মাধ্যমে নিজেরে সাইকোথেরাপি দেওয়ার এই মানসিক ‘প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ’ আবিষ্কার করেন। তারা দাবী করেন অভিজ্ঞতা মারফত অর্জিত আচরণগত যেই ‘ছক’ দিয়া আমরা চলি, তার সাথে আমাদের স্নায়বিক প্রক্রিয়া এবং আমাদের ভাষার সম্পর্ক আছে; এবং জীবনে নির্দিষ্ট কোনো ‘গোল’ অর্জনে বা কোনো লক্ষ্যে পৌছাতে এদের পরিবর্তন সম্ভব। এন-এল-পি’র মাধ্যমে ফোবিয়া, বিষন্নতা, স্ট্রেস, প্যানিক এ্যাটাক, মনোসামাজিক অসুস্থতা এমনকি এ্যালার্জি, সর্দি কাশির মত রোগ, চোখে কম দেখা ইত্যাদি রোগও সারানো যায় এবং কাউরে নিজের প্রেমে ফেলায় দেয়া সম্ভব বলে তাদের দাবী। Continue reading “ব্যক্তিগত বিকাশ এবং আন্তঃব্যক্তিগত যোগাযোগ (প্রথম পর্ব)”

Page 4 of 41234