হৃদয় বন্দনা

প্রথম প্রেমে আপনি নির্ভেজাল প্রেমিকা থাকবেন। “টিফিনের টাকা জমায় আবেগ কিনবেন”। তার পাঞ্জাবীতে হাতে সুইর খোঁচা খেয়ে সেলাই ফোরাই করবেন। সে না খাইলে আপনিও খাবেন না। তার বাপ-মাকে নিজের বাপ-মা ভাববেন। তার অভ্যাসকে নিজের রুটিন বানাবেন। লাইফ প্লান করবেন তার সাথে। দুই চোখ ভরা স্বপ্ন নিয়ে অনাগত সসন্তানের নাম ঠিক করবেন। এই প্রেম আপনার টিকবে না। এই প্রেমে প্রেমিক আপনাকে সস্তা ভাববেই। আপনার আবেগকে সে নিজের লেভেল ভাববে, কনফিডেন্স বাড়ায় মোড়গের মতো কক-কক করে সে হাই লেভেলের প্রেমিকা খুঁজবে। এবং এই প্রেমে আপনি ট্যাগ খাবেন “এত্তো ইমোশনাল মাইয়া নিয়ে চলা যায় না”!

দ্বিতীয় প্রেমে আপনি খানিকটা সতর্ক হবেন। Continue reading “হৃদয় বন্দনা”

বসন্ত এসে গেছে

মেয়েদের বাম নাকের সাথে নারীত্বের একটা সম্পর্ক আছে। তাই বাম নাকে তারা নাকফুল পরে। প্রাচীন ভারতীয় বিশ্বাস অনুযায়ী, বাম নাকের যে অংশ ফোরানো হয়, তার সাথে গর্ভধারণ অঙ্গের একটা যোগসূত্র থাকে। গর্ভধারণ যাতে ভাল হয়, তাই সেসময় থেকেই বিয়ের পর মেয়েদের বাম নাকে নাকফুল পরার প্রচলন চালু হয়। যদিও এই কথার বাস্তব ভিত্তি নেই। মোগল শাসনের পর থেকে নাকফুল পরাটা বিশ্বাসের পরিবর্তে একটা ফ্যাশনে পরিণত হয়। কেউ ডানে ফুরায়, কেউ বামে। বিভিন্ন রকম নাকফুলও তৈরি হয়। আমার বিয়ের কয়েকদিন আগের কথা। বাড়িতে প্রথম বউ আসছে। নতুন বউকে কি কি গহনা দেওয়া হবে, সেটা নিয়ে মা ও দুই বোনের সারাদিন জল্পনা কল্পনা।

হবু বউয়ের নাক ফুরানো ছিল না। তবুও তারা ঠিক করেছে বউকে নাকফুলও দিবে। Continue reading “বসন্ত এসে গেছে”

তরুনের তারুন্য (শেষ পর্ব)

আফসোস সবার পক্ষে তা সম্ভব নয়। আমার মনে হয়, ভালোবাসা পেতে হলে আগে নিজেকে ভালবাসার উপযুক্ত করে গড়ে তুলতে হবে। তবেই অপর জনের কাছ থেকে ভালোবাসা আসবে, বানের জলের মতো, শুধুমাত্র তার কাছ থেকে। নিজেকে গড়ার অপেক্ষায়। প্রেম করা কিংবা প্রেমে পড়াটা ভালো। তবে ভুল মানুষের প্রেমে পড়া ভালো নয়। আমরা অনেক সময় ভুল করে, ভুল সময়ে, ভুল মানুষের প্রেমে পড়ে যাই। করুন পরিনতির কথা না ভেবে ভুল মানুষকে ভালোবেসে ফেলি। যখন বুঝতে পারি ভুল করেছি, ভুল শুধরে নেয়ার যথেষ্ট সুযোগ থাকা সত্যেও আমরা ভুলটাকে শুধরে নেই না। মানুষটাকে আরো বেশি ভালোবেসে ফেলি। মানুষটা আমাদের জীবনে আসবেনা জেনেও আরো শক্ত করে বুকে টেনে নিতে চাই। Continue reading “তরুনের তারুন্য (শেষ পর্ব)”

ভালোবাসার দোকানদারী

মানছি সবই মেঘেরই দোষ
মেঘ ঢেকেছে মন,
বলতে পারো আমি না মেঘ
কে বেশি আপন।

ভালোবাসা নিয়ে আমাদের এক্সপেকটেশন কমতে কমতে শুন্যে কিংবা প্রকাশ্যে চুমো খাওয়াতে নেমে এসেছে! ভালোবাসা কি এতো ছোট জিনিস! প্রকাশ্যে চুমো খেলাম, প্রেমিকা জড়িয়ে ধরলাম- খুব ভালোবাসার প্রকাশ হয়ে গেল! ভালোবাসা আরও বিশাল জিনিস। দিন রাত অষ্টপ্রহর ভালোবাসি বলা, জড়িয়ে ধরা, চুমো খাওয়া, শুয়ে পরা যেখানে থেমে যায়- সেখান থেকেই ভালোবাসা শুরু হয়। ভালোবাসা মানে মঙ্গল কামনা, ভালোবাসা মানে পাশে থাকা, ভালোবাসা মানে অনেক দিন দেখা না হওয়ার পরেও একে অপরের জন্য উদ্বিগ্ন থাকা। Continue reading “ভালোবাসার দোকানদারী”

ভালোবাসা ভালো নেই

একটা ছেলের সিরিয়াস লাভ, কিংবা দীর্ঘদিনের প্রেমে যখন ব্রেক আপ নামক আপদটি নেমে আসে কিংবা ভালোবাসার মানুষটির যখন বিয়ে হয়ে যায়। তখন ঐ ছেলেটি আর রাস্তার প্রভুহীন কুকুরের মধ্যে কোন পার্থক্য থাকে না। হঠাত করেই ছেলেটি দেখে সে অভিভাবক শুন্য হয়ে গেছে। তাকে মধুর শাসন করার আর কেউ নাই। কেউ আর বলেনা,
– বাবু খাইসো? বাবু চলো না কালকে দেখা করি কিংবা বলে না এই ছন্নছাড়া জীবন ছাড়তে হবে। এটা করা যাবে না, ওটা করা যাবে না।
এইসব না, না কে সে এক সময় চরম অপছন্দ করলেও সেইসব না না-কে সে খুব করে মিস করে। আর ভাবতে থাকে, ইশ যদি কেউ বলত! Continue reading “ভালোবাসা ভালো নেই”

“মা” মধুরতম শব্দ

পৃথিবীর সবথেকে মধুর শব্দটা সম্ভবত “মা “। এর ব্যাপকতা বিশাল।প্রতিটা মেয়ে একটা সময় মা হয়ে ওঠে মধুর আর তিক্ততার মধ্য দিয়ে।জন্ম দিয়ে নয় এরা মা হয়েই মা হয়! এক ফোটা শুক্রানু জোর করে ঠেলে দিয়ে যদি বাবা হওয়া যেত তবে জগতের সকল ধর্ষক বাবা হয়ে যেত। কিন্তু “মা “কতটা মহিয়ান হয়। জগতের সকল সন্তানের কস্ট মা নামক হৃদয় হয়ে আমাদের হৃদয়ে পৌছে। মায়েরা বড় সাদামাটা হয়। বড় বোকা হয়। বড্ড বেশি অবুঝ হয়। আমরা জিতে গেলেই তাইতো জিতে যায় মা। হাজার হাজার মা তাদের সন্তানকে নিয়ে কঠিন সংগ্রামে ঝাপিয়ে পড়ে। দিন রাত একাকার করে ফেলে সন্তানের হাসির জন্য। সারারাত বালিশে মুখ গুজে কান্নার আওয়াজ কিন্তু মা ঠিকই টের পায়। খানিক উস্কোখুস্কো হয়ে থাকা ছেলেটার মন মা পড়ে ফেলে নিমেষেই। Continue reading ““মা” মধুরতম শব্দ”

Page 1 of 712345...Last »