হযরত লুত (আঃ) এবং মরু সাগর

নবী হযরত লুত (আঃ) এর পিতার নাম ছিল হারান। লূত (আঃ) ছিলেন ইব্রাহীম (আঃ) এর ভাইয়ের ছেলে। ভাতিজা লূত (আঃ) ছোটবেলা থেকেই ইব্রাহীম (আঃ) এর সাহচর্যে বড় হন। এবং ইব্রাহীম (আঃ) এর আহবানে সাড়া দিয়ে সঠিক ধর্ম গ্রহন করেন ও সেই সত্য ধর্ম প্রচার করার জন্য মাতৃভূমি ইরাক ত্যাগ করে হিজরত করে মিশরে চলে আসেন। তিনি ইব্রাহীম (আঃ) এর যুগেই নবুয়ত প্রাপ্ত হন। মিসরে ইব্রাহীম (আঃ) এর সাথে লূত (আঃ) কিছুদিন কাজ করার পর ইব্রাহীম (আঃ) মিসর হতে সিরিয়ার ফিলিস্তিনে, আর লূত (আঃ) জর্দান রাজ্য বা ট্রান্সজর্দান এলাকায় চলে আসেন। এটি বর্তমানে মরু সাগরের নিকট সডম ও গমোরা নগর হিসাবে খ্যাত। এখানে সাদ্দুম নামে এক বস্তি ছিল। সে বস্তি এবং আশে পাশের আরো কিছু এলাকায় লূত (আঃ) সত্য ধর্মের তবলীগ করতে থাকতেন। Continue reading “হযরত লুত (আঃ) এবং মরু সাগর”

স্বামী, স্ত্রী ও হাক্কুল ইবাদ

একজন আলেমা বিয়ে করলেন জনৈক ইঞ্জিনিয়ারকে। বিয়ের প্রথম রাতেই স্ত্রী স্বামীকে বললেন আমরা আমাদের দাম্পত্য জীবন ইসলামিক শরীয়াহ মোতাবেক পরিচালনা করবো ইনশা’আল্লাহ। স্বামীও তার নববিবাহিতা স্ত্রীর প্রস্তাব সাদরে গ্রহন করলেন। বিয়ের কিছুদিন পর স্ত্রী স্বামীর কাছে দাবি করলেন শরীয়া মোতাবেক আপনি আমাকে আলাদা বাসায় রাখতে বাধ্য এবং আমি আপনার বৃদ্ধ পিতামাতার সেবা – দেখাশোনা করতে বাধ্য নই। সুতরাং আমার জন্য আলাদা বাসা দেখুন। আমি এই বাসায় থাকবনা। স্বামী বেচারা মসিবতে পড়ে এক দৌড়ে গেলেন মুফতী সাহেবের কাছে। হুজুর এই এই অবস্থা! Continue reading “স্বামী, স্ত্রী ও হাক্কুল ইবাদ”

চার ধরনের মেয়েকে বিবাহ করো না

*** হযরত ইমাম গাজ্জালী (রহঃ) বলেন, চার ধরনের মেয়ে বিয়ে করলে সংসারে সুখ হবেনা

(১) “আহেরা” :-
আহেরা হল তারা, যারা রূপের চর্চা করে মানুষকে দেখানোর জন্য এই জাতীয় মেয়ে যারা বিয়ে করবে তাদের সংসারে সুখ হবে না।

(২) “নাদিছা” :-
নাদিছা তাদের বলা হয়, যারা শুধু রূপের চর্চা করেনা বরং রূপের অহংকারও করে বললে বুঝতে পারবেন চামড়া একটু ফর্সা, তাদের পাশে যদি কালো মেয়ে যায়, তারা তাকে মেয়েই মনে করে না। এত অহংকার ওদের মনে এদের বিয়ে করলে সংসারে সুখ হবে না। Continue reading “চার ধরনের মেয়েকে বিবাহ করো না”

স্বামী-স্ত্রীর অধিকার নিয়ে নসিহা

আর তোমরা তাদের (স্ত্রীদের) সাথে উত্তম ব্যবহার কর।’ [সূরা আন-নিসা: ১৯]

আর স্ত্রীদের যা কিছু পাওনা রয়েছে তা উত্তম আচরণের মাধ্যমে পৌঁছে দাও। আর তাদের উপর পুরুষদের একটি উঁচু মর্যাদা রয়েছে।’ [সূরা আল-বাকারাহ: ২২৮]

পুরুষগণ মহিলাদের অভিভাবক এবং দায়িত্বশীল। এটা এজন্য যে, আল্লাহ তাআলা তাদের একের ওপর অন্যদের বিশিষ্টতা দান করেছেন এবং যেহেতু পুরুষগণ তাদের সম্পদ থেকে তাদের স্ত্রীদের জন্য ব্যয় করে থাকে।’ [সূরা আন-নিসা: ৩৪] Continue reading “স্বামী-স্ত্রীর অধিকার নিয়ে নসিহা”

বিয়ে না করতে পারলে সাওম

“আল্লাহ কাউকে তার সাধ্যাতীত কোন কাজের ভার দেন না” সুরা বাকারাহ ২৮৬ এবং “সামর্থ্য না থাকলে বিয়ে করা যাবে না”। দুটোই ঠিক আছে। তবে আমজনতা সামর্থ বললে যা বুঝে বসে আছে তাতে গন্ডগোল আছে। কোন ছেলে বিয়ের কথা বললেই যারা মুখস্ত রোজার কথা বলে বসেন তারা বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই দেখা যায় সাওম জিনিসটা কোন প্রকটতায়, কোন প্রেক্ষাপটে সেটা ভেবে দেখার সুযোগ পান নি। একটু ভালভাবে নিচের হাদিসটির দিকে খেয়াল করা যাক – Continue reading “বিয়ে না করতে পারলে সাওম”

বড় পীর আব্দুল কাদির জিলানী

বড় পীর আব্দুল কাদির জিলানীকে একদিন এক লোক প্রশ্ন করলেন, হুজুর আপনি এত বড় আল্লাহ্ ভক্ত মানুষ আপনার অনেক সন্মান, আপনি কি সাহাবীদের চাইতেও সন্মানী? উনি কেঁদে বললেন আর কোনদিন এমন প্রশ্ন করবে না। নবীর সাহাবীদের ঘোড়ার ক্ষুরের ধুলার চাইতেও আমি নগণ্য। আরেকবারের ঘটনা, বড় পীর রাস্তা দিয়ে হেটে যাচ্ছেন আল্লাহর ইচ্ছায় এক কুকুর বলল, হে আব্দুল কাদের জিলানী বলেন তো কার সন্মান বেশী আপনার না আমার? বড় পীর অহংকার করতে চাইলেন না, উনি বললেন হে কুকুর তোমার এই প্রশ্নের উত্তর আমার মৃত্যুর পর বোঝা যাবে। যদি আল্লাহ্ আমাকে মাফ করেন আর কবরে আযাব না দেন তাহলে আমি সন্মানী আর যদি আমি আযাবে থাকি তাহলে তুমি সন্মানী! Continue reading “বড় পীর আব্দুল কাদির জিলানী”

Page 4 of 512345