ভালোবেসো কবিতাকে, ভালোবেসো কবিটাকে

মনীষীরা ভালোবাসাকে দেখেছেন নানা রঙে-রূপে। কেউ ভালবাসাকে দেখেছেন জীবন হিসেবে কেউ বা বিনাশের অপর নাম হিসেবে। প্লেটোর মতে, ‘প্রেমে পড়লে সবাই কবি হয়ে যায়’। আবার সেন্ট জিরোথী বলেছেন, ‘ভালোবাসার কোনো অর্থ নেই, কোনো পরিমাপ নেই’। অর্থাৎ এটা এক মায়াজাল। আনাতোল ফ্রাঁস দেখেছেন ‘মানুষের একটি শাশ্বত ও মহান প্রয়োজন হচ্ছে প্রেম’। অস্তিত্বের সাথে ভালোবাসাকে মিলিয়েছেন — ফয়ের বাখ। তাঁর মতে, ‘যেখানে প্রেম নেই, সেখানে সত্যি নেই; কেবলমাত্র তারই মূল্য আছে যে কোনো কিছুকে ভালোবাসে, ভালোবাসা না থাকলে নিজের অস্তিত্ব না থাকারই শামিল।

বিরহ-মিলনের সমীকরণ টেনে কাজী নজরুল ইসলাম বলেছেন, Continue reading “ভালোবেসো কবিতাকে, ভালোবেসো কবিটাকে”

থিওরি অফ আনসার্টেনিটি অফ লাভ

সুবর্না মুস্তফাকে অপি করিম জিজ্ঞেস করেছিলেন,
– ধরেন সৌদ আপনাকে ছেড়ে চলে গেলো, তাহলে কি সবচেয়ে বেশি কষ্ট পাবেন?
সুবর্না মৃদু হেসে বললেন,
– মোটেই না। আমি সবচেয়ে বেশি কষ্ট পেয়েছি বাবা-মা মারা যাওয়ার সময়, এরপর যতই কষ্ট পাই সেটা ওটার সমান হবে না কখনো। কাজেই সৌদ যদি আমার সাথে না থাকতে চায়, থাকবে না। তাতে আমি কখনোই সবচেয়ে বেশি কষ্ট আর পাবোনা।
এটা দেখে মনে হয়েছিল ভালোবাসা কখনো গিরগিটির মতো রঙ বদলায় না, সম্পর্ক রঙ বদলায়। যেমন ধরেন নেপোলিয়নের জীবনের শেষ শব্দের নাম ছিলো- জোসেফাইন। আইন্সটাইন থিওরি অফ রিলেটিভিটির গবেষণা শুরু করেছিলেন স্ত্রী মিলেভা মেরিকের সাথে, Continue reading “থিওরি অফ আনসার্টেনিটি অফ লাভ”

সুখজোয়ারের ন্যায্য হিস্যা চাই

টাকা-লোভী মেয়েকে বিয়ে করলে টাকা দিয়েই খুশি রাখা যায়। কিন্তু যদি ভালোবাসা-লোভী মেয়ে বিয়ে করেন তাইলে ফেসে যাবেন এক্কেবারে, সারাজীবনের জন্যে। কারণ এদেরকে ভালোবাসতে হয়, প্রচুর। একেবারে দায়িত্ব নিয়ে। টাকার থেকে ভালোবাসার লোভ ভয়ংকর, খুব ভয়ংকর। আর এই লোভ করা মেয়েদের বিয়ে করেছেন তো গেলেন একেবারে। টাকার লোভ করা মেয়েদের টাকাই লাগে। কিন্তু ভালোবাসার লোভ করা মেয়েদের? সম্মান, শ্রদ্ধা, বিশ্বাস, প্রেম আর ভালোবাসা তো আছেই। এদের না অনেক চাহিদা। ভালোবাসা চাই এদের, জীবনের শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত।

এদের পাশে থাকতে হবে, বিশ্বাস করতে হবে, ভালোবাসা দিয়ে ভালো রাখতে হবে, Continue reading “সুখজোয়ারের ন্যায্য হিস্যা চাই”

মেইড অর ম্যাড অফ ভালোবাসা

আমি জীবনের প্রথম এবং সম্ভবত শেষ বারের মত প্রেমে পড়ি যখন আমার বয়স পনের। আমি তখন হাই স্কুলের ছাত্র, উচ্ছল, প্রানবন্ত এক কিশোর। প্রেমে পড়লাম ৩৯ বছর বয়সী তিন সন্তানের জননী, আমার স্কুলেরই ড্রামা টিচারের। আমার শিক্ষিকা যিনি আমার থেকে মাত্র ২৪ বছরের বড়, শুরুতে ভীষন হতবিহবল হয়ে পড়েছিলেন আমার ভালবাসার কথা শুনে। তারপর ইনফ্যাচুয়েশন ভেবে তেমন একটা আমলেও নেন নি বিষয়টাকে। ভেবেছিলেন, কিছুদিন পরেই এই ভালবাসা বায়বীয় পদার্থের মত বাতাসে মিলিয়ে যাবে। কিন্তু তা হয় নি, আমার ভালবাসা বরং বায়বীয় থেকে কঠিন পদার্থে রুপ নিয়েছে কিছুদিনের মধ্যে। Continue reading “মেইড অর ম্যাড অফ ভালোবাসা”

যুদ্ধ

: অন্তর পুড়ে!
: পুড়ুক..
: মাথা ঘুরে!
: ঘুরুক..
: আগুন জ্বলে!
: জ্বলুক..
: শরীর টলে!
: টলুক..
: মৈরা যামু!
: যা..
: বিষ খামু!
: খা..
: আপত্তি নাই? Continue reading “যুদ্ধ”

ভাঙা হৃদয়ের সংবিধান

ভেঙে যায় যদি মন? কাচেরই মতন?

প্রস্তাবনা:
ক) যেহেতু “প্রেম ও যুদ্ধক্ষেত্রে সবই ন্যায্য” কথাটা পুরোপুরি সত্য;
খ) যুদ্ধক্ষেত্রে আহত মানুষদের জন্য ১৮৬৪র ২২ আগস্ট ‘জেনেভা সংবিধান’কে অনুমোদন দেয়া হলেও, যেহেতু এখনও পর্যন্ত ভালবেসে কষ্ট পাওয়া মানুষদের জন্য কোন সংবিধান প্রণীত হয় নি (যদিও এই ক্ষেত্রে আহতদের সংখ্যা তুলনামূলকভাবে অনেক বেশি); Continue reading “ভাঙা হৃদয়ের সংবিধান”