যাহা বলিব, মিথ্যা বলিব (অষ্টম পর্ব)

তেইশ
কারো কারো মাঝে আমাকে নিয়ে এহেন পোষ্ট আর কমেন্টের বন্যা বয়ে যাবে। অচিরেই বাঙ্গালী পশ্চাৎ দেশের মতো দুই ভাগে বিভক্ত হয়ে যাবে। তারা নিজেরা নিজেদের মাঝে তর্ক করবে এই নিয়ে যে, আমি আসলে ভালো ছিলাম নাকি খারাপ মানুষ ছিলাম। আমি না থাকলে আমার ফেইসবুক একাউন্টের কি হবে তা আমি আগে থেকেই ভেবে রেখেছি। আমার কোন এক সহোদরকে আমার একাউন্টের লিগ্যাসি করে দিয়েছি মৃত্যুর পূর্বেই। আমার না থাকায় যেন, সে জুড়ে থাকে।

চব্বিশ
পুরোনো প্রেমিকা হয়তো কোন ভাবে জানতে পারবে যে, আমি নেই। Continue reading “যাহা বলিব, মিথ্যা বলিব (অষ্টম পর্ব)”

আমার এখন ভয় লাগে

জীবনে এতো গুলো বছর পার করে একটাই উপলদ্ধি আমার – “নিজের জন্য নেয়া সব সিদ্ধান্তই ভুল ছিলো।” জীবনের হালখাতা মেলানো শুরু করার পর থেকে শুধুই ভুল আর ভুল ধরা পড়ছে। অদ্ভূত এক জীবন। আমার চারিদিকে শত্রুর দল আমারই সৃষ্টি। নখ-দন্তহীন নিরীহ জীবগুলোকে আমিই ভ্যাম্পায়ার বানিয়ে রেখেছি। জন্ম থেকে আজ অব্দি নিজের জন্য সাতাশ মিনিটও খুঁজে পাইনি, খুঁজতেও যাইনি। জন্মেছি, ক্রন্দনের পর হঠাৎ নিস্তব্ধতা আসেনি। গাঢ় নৈশব্দের মাঝে সময় মত গলেছি। গভীর সে বিষণ্ণতার মাঝে হঠাৎ কখনও উন্মাদের হাসির শব্দও হয়নি। তবুও ভেঙ্গে গেলো ঘড়ির কাঁচ। যা দেখি তাই আপন আপন লাগে।

আমি বদরাগী ছিলাম না কখনোই। Continue reading “আমার এখন ভয় লাগে”

আমি কাউকে বলি নি সে নাম

খুব সকালে ঘুম ভাঙ্গার অভ্যাসটা সেই কবেই গিয়েছে। এত আগে উঠে কি করবো সেটাই তো ভেবে পাই না। তবে কি আগে উঠলে সকালটা খরচ হয় না? চা – নাস্তা নিজেই বানিয়ে ফেলি আর লেট হলে হোটেল থেকে খেয়ে নিই। আগে ক্লাস শুরু হওয়ার ৩০ মিনিট আগে উঠতাম। আর এখন, অফিস শুরু হবার আধা ঘন্টা পর উঠি। কোন কোন দিন বিছানা রুম না ঝাড়ু দিয়েই ক্লাসে চলে যেতাম। থাকতাম একা একা। সব কাজ আমাকেই করতে হতো। আমার সবার মত সকাল এত ভালও লাগে না তবে মাসে একবার সকাল উপভোগ করে ডায়েরিতে কয়েক পাতা লেখা যায়।

সেদিন খুব সকালে ঘুম ভেঙ্গেছিল তাও আবার ঘার ব্যাথার করণে। উঠেই জানালার পর্দাটা সরিয়েছি। ওমা! এত ঘোলা কেন! কুয়াশা। Continue reading “আমি কাউকে বলি নি সে নাম”

বড়বেলার বিতণ্ডা

আমার একটা ফেবু একাউন্ট আছে। আর আমি সেই আইডিটা অনেক যত্ন করে চালাই। তারমানে এই না যে কম্পিউটার কিংবা মোবাইলের স্ক্রীনের বাইরেও একটা জগত আছে সেটা ভুলে গিয়েছি। সময় হলে ঠিক যেভাবে এসেছি এই পৃথিবীতে, সেভাবেই একদিন চলে যাবো। আমি এও জানি,
– “ভার্চুয়াল জীবন কম্পিউটার কিংবা মোবাইলের স্ক্রীনে সুন্দর, আর বাস্তবতা বাস্তব জীবনে।”
বন্ধু তালিকায় থাকা কোন বন্ধু যদি আমার ষ্ট্যাটাসের অর্থ, মজাদার অংশ বুঝতে অসমর্থ হয় তবে সেটা তার সমস্যা। আমার না।

অহেতুক বাক্যবানে অন্যকে ভাসানোর অপচেষ্টা না করে, নিজের গায়ে না মাখিয়ে ভদ্রোচিত ভাবে এড়িয়ে গেলেই খুশি হবো। Continue reading “বড়বেলার বিতণ্ডা”

যায় যায় দ্বীন

আপনার ইংলিশ পোলা বাংলা বলতে পারে না। লালন চিনে না, হাসন জানে না, রাধা-রমণ তো দূর কি বাত। বিজয় দিবস আর স্বাধীনতা দিবসের মধ্যে গোলমাল করে ফেলে! আপনি আবার এই কিউট ভুলগুলা খুব এনজয় করেন। কিটি পার্টিতে নাকি খুব বিতং করে বলেনও। আরো আছে, আপনার (সু!!!)পুত্রধনের স্বাধীনতা, বঙ্গবন্ধু আর মুক্তিযুদ্ধের চেতনা নিয়া কথা বলতে নাকি ব্যাপক এলার্জি? রবীন্দ্রনাথ, জীবনানন্দ তো জানেই না, শেক্সপিয়রও ঠিকঠাক মতো শেখে নাই নাকি!”

তবে খুশির কথা হইলো পুত্রধন নাকি ইদানিং পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ ঠিকঠাক মতো পড়ে। Continue reading “যায় যায় দ্বীন”

ভিখারুন নিসার ছাত্রী

হিডেন ট্রুথ – ভিখারুন নিসার মেয়েদের স্ত্রী হিসেবে পাওয়া কতটা ভাগ্যের ব্যপার তা জানার পর নিচের কবিতাটা মনে পড়ে গেলো। একটা সময় এমন অনেক কবিতাই মুখস্ত ছিলো আমার। নিজের জন্য না। অন্যদের ইমপ্রেস করার জন্য। কিন্তু হায়, আজ আর ইমপ্রেস করার মতো কেউ নাই। কিংবা হয়তো ইমপ্রেস করার ধরন পাল্টেছে যুগের সাথে তাল মিলিয়ে। কিন্তু আমি ব্যর্থ হয়েছি নিজেকে আপডেট করতে।

বিটার ট্রুথ – আপনি যদি কাউকে পছন্দ করিয়া থাকেন তাহা হইলে তাহার পিতা কিংবা পিতামহের নিকট কৌতুক করিয়া হইলেও যৌতুক তো দূরের ব্যপার চাকুরি প্রার্থনাও করিবেন না। কারন, বাঙ্গালী নারী Continue reading “ভিখারুন নিসার ছাত্রী”

Page 4 of 33« First...23456...102030...Last »