যৌনকাতর এক জাতির কথা

বাংলাদেশীদের মত এত যৌনকাতর জাতি পৃথিবীতে তো নেই। যখন এলিয়েনদের সাথে আমাদের সংযোগ স্থাপিত হবে, মার্ক মাই ওয়ার্ড, দেখবেন গ্যালাক্সিতেও নেই। হিউম্যান মিল্ক ব্যাংক নিয়ে বাদানুবাদ চলছে, ফাইন, দুই পক্ষেরই অধিকার আছে তাদের বক্তব্য দেয়ার। এর মাঝ দিয়ে দেখবেন কিছু লোক এমন কিছু কথা বলবে, যা উচ্চারন করতে যৌনকর্মীরাও ইতস্তত বোধ করবে। বাদ দিন মিল্ক ব্যাংকের কথা, রাস্তা-ঘাটে সাথে কোন মেয়ে থাকলে অনেকেই কিভাবে তাকায় খেয়াল করেছেন? বোরখার কথা বলতে চান? একই নজরে তাকায়। তাকায় না এ কথা শোনাতে আসবেন না। নিজেই বহুবার বহু মানুষকে হিজাবী-বোরখাওয়ালীদের দিকে ‘খায়া ফালামু’ নজরে তাকাতে দেখেছি। Continue reading “যৌনকাতর এক জাতির কথা”

কর্পোরেট স্লাট (দ্বিতীয় পর্ব)

আমাদের হোস্টেল থেকে ঐ হোস্টেলে হেঁটে যেতে দশ মিনিট লাগে, রিকশায় যেতে পাঁচ মিনিট। এত রাতে রিকশা নাই, তাই দৌড়েই গেলাম। এক সাথে বিশ পঁচিশ জন ছেলে হৈ হৈ করে দৌড়াচ্ছে দেখে জানালা দিয়ে অনেকেই তাকাচ্ছিল। ভয় হচ্ছিল দুষ্কৃতিকারীরা তো নিশ্চয়ই খালি হাতে আসেনি! আমাদের বিশ পঁচিশজন ছেলেকে সাইজ করা তো কোন বিষয় না। উত্তরা হাই স্কুলের পাশের পার্কের কাছে গিয়ে দেখি আরেকটা হোস্টেল থেকে ছেলেরা আসছে। ওদের দেখে বুকে বল পেলাম। সামনে এগিয়ে দেখি আরো ছেলেপেলে। প্রায় একশ জনের বহর নিয়ে যখন ঐ হোস্টেলের কাছাকাছি গেলাম তখন দেখি ঐ হোস্টেলের সামনে এক দেড়শ ছেলে, সবাই এশিয়ান ইউনিভার্সিটির ছাত্র। Continue reading “কর্পোরেট স্লাট (দ্বিতীয় পর্ব)”

কাঁদতে হয় লুকিয়ে

মাঝে মাঝে বোবা কান্নার দলা গলার মাঝে আটকে যায়, দুচোখে জল চলে আসে। কিন্তু পরক্ষনেই সেই চোখের পানি কেউ দেখে ফেলার আগেই, কেউ বুঝে ফেলার আগেই মুছে ফেলি। আসলে তারা জানে, ঘরের বড় ছেলেকে এভাবে কাঁদতে হয় না। কাঁদতে হয় লুকিয়ে, আড়ালে, যাতে কেউ না দেখে। চোখের পানি মুছে আবার তাদের ঘরে ফিরতে হয়। কিছু মানুষের মুখে হাসি ফুটানোর জন্য, তাদের শক্তি হওয়া জরুরী।
– এই ঈদে “বড় ছেলে” নামক নাটকের শেষ মন্তব্য এটা। দুপুরের খাবার শেষ করে মায়ের খাটে বসে টিভির রিমোটে চ্যানেল চেঞ্জ করতে করতে এই নাটকে চোখ আটকে যায়। কিছুক্ষণ দেখার পর ছোট ভাইটা খুশির দিনে এরকম কষ্টের নাটক প্রচারের জন্য বিরক্তি প্রকাশ করে। আমি ভাবি নাট্যকারতো আমার জীবনে ঘটে যাওয়া বিষয়গুলোকেই সুন্দর করে সাজিয়ে বলেছে এখানে। ছোট ভাইটাকে বলা হয়না সেই কথাগুলো। Continue reading “কাঁদতে হয় লুকিয়ে”

তুমিই সত্য “হে সমাজ”

সেইরাম ‘ধার্মিক’ ভাব নিলেও আমরা বাঙ্গালীরা আসলে ধর্মের চেয়ে সামাজিক নিয়ম অনেক বেশী মেনে চলি, আর এত কঠোর ভাবে সামাজিক প্রথা মেনে চলাটাই হচ্ছে অনগ্রসর সমাজের বেঞ্চমার্ক। বুঝিয়ে বলি, হালাল আয় করাটা আমাদের ইসলাম ধর্মে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ন একটি বিষয়, কিন্তু হালাল আয় করেনা দেখে বিয়ে ভেঙ্গে গেছে বা পাত্রীপক্ষ বিয়ে দিতে অস্বীকার করেছে সেটা ইহজীবনে কয়বার দেখেছেন বা শুনেছেন? বাংলাদেশের বিয়েতে পাত্রের হালাল আয় থাকাটা কি আদৌ কোন ফ্যাক্টর হিসেবে বিবেচিত?

বিয়ের কথা চিন্তা করুন, ইসলাম ধর্মে কোথায় আছে যে একটা নির্দিষ্ট বয়স না হলে, Continue reading “তুমিই সত্য “হে সমাজ””

শো-অফ

খুব কম লোকই জানে ভাব নেয়া বা শো অফ করাটা আসলে সম্পূর্ন অর্থহীন একটা ব্যাপার। আপনি যা কিছু নিয়েই ভাব নেন না কেন, আপনার চেয়ে ভালো বা উন্নত কিছু অন্যদের কাছে থাকবেই। আপনি বাংলাদেশের সেরা রেস্টুরেন্টে চেক ইন দেবেন, আরেকজন দেবে এশিয়ার। আপনি এশিয়ার দেবেন, আরেকজন দেবে বিশ্বের। কে কাকে কি দেখাবে?

বিয়েতে একদল স্বর্নের গহনার পরিমান নিয়ে ভাব নেয়। Continue reading “শো-অফ”

কর্পোরেট স্লাট (প্রথম পর্ব)

২০০১ সাল। ঘটনাস্থল উত্তরা ৭ নং সেক্টর। আমি যে বাড়ীতে থাকতাম তার পাশেই ছিলো বেশ কিছু হোষ্টেল। একটি হোস্টেলের নাম ছিল ‘প্রথম হোস্টেল’। সেই বাড়ীতে এখন ‘উত্তরা ইউমেন কলেজ’ এর ক্যম্পাস। আমি থাকতাম এশিয়ান ইউনিভার্সিটির ছাত্রদের সাথে। ৭ নং সেক্টরে তখন এরকম ছেলেদের হোস্টেল ছিল ৪০ টির মত আর সবগুলোতেই এশিয়ান ইউনিভার্সিটির ছাত্র থাকত। আর এশিয়ান ইউনিভার্সিটি কতৃপক্ষের তত্বাবধানে একটা মেয়েদের হোস্টেল ছিল যা ছিল ক্যাম্পাসের একদম কাছে ৭ নং রোডে। সেই বাড়ীতে এখন একটা স্কুলের ক্যম্পাস। মেয়েদের হোস্টেল ছিল ৪ তলা বিল্ডিং। প্রায় শ’খানেক ছাত্রী থাকত। বাইরে কড়া সিকিউরিটি পাহারা দিত। হোস্টেলের চাবি থাকত মেয়েদের কাছে। কেউ (শুধুমাত্র মেয়ে) Continue reading “কর্পোরেট স্লাট (প্রথম পর্ব)”

Page 1 of 812345...Last »