সুঁয়োপোকা দুঁয়োপোকা জীবনপোঁকা

জামাই প্রথমবার I love You বলেছে। আকাশ-বাতাশ কাপানো দূর্দান্ত অনুভূতি। এরপরে জামাই আপনাকে ৫ ওয়াক্ত নামজের পরে একবার I love You বলে। তাও ভাল। কিন্তু জামাই প্রতি এক ঘন্টা পরপর I love You বলা শুরু করে দেবার পরে ব্যাপারটা কি অত ভাল লাগে? একটা সময় তো বিরক্তি লাগবে। বলবেন,
– “প্লিজ লাগে কেউ এই ব্যাটারে চুপ করা” ।
অথচ বিয়ের আগে কত ফ্যান্টাসি করতেন যে জামাই কেয়ারিং হলে কত্ত ভাল হবে। এখন যখন জামাই কেয়ারিং তখন আর অত ভাল লাগে না।

একাত্তর সালে মুক্তিযুদ্ধের সময়। মায়ের মুখে শুনেছি তখন নাকি ব্লাক আউট দিত। Continue reading “সুঁয়োপোকা দুঁয়োপোকা জীবনপোঁকা”

সফলতার “সফল লতা”

সবার আগে বিশ্বাস করুন যে “Everyone has a special skill” ভেবে দেখুন জীবনে যদি সব সময় সব পরিস্থিতি আপনার অনুকূলে থাকতো তাহলে কি কোনদিনও আপনি প্রাপ্তির আনন্দ কি হয় সেটা বুঝতে পারতেন? যেকোন সফলতা অর্জনের আনন্দ তখনই দ্বিগুণ হয় যখন সেটাকে অর্জন করতে আপনাকে সমস্ত কিছুর উপরে গিয়ে লড়তে হয়। আপনি যদি আপনার চিন্তা শক্তি স্থির আর অটুট রাখেন তাহলে যেকোন প্রতিকূলতার বিরুদ্ধে গিয়ে আপনি সফল হতে পারবেন। আর আপনি যদি জীবন যুদ্ধে লড়তে গিয়ে বিরূপ পরিস্থিতি দেখে ভেঙ্গে পড়েন তাহলে এই লিখাটি আপনার জন্য। যখনই কোন কাজের ক্ষেত্রে বা জীবনের কোন সময়ে বিরূপ পরিস্থিতির সম্মুখীন হন তাহলে একবার ঠাণ্ডা মাথায় ভেবে দেখুন সত্যি কি আপনি আপনার চারপাশের পরিস্থিতির মধ্যে এতোটাই আটকে গেছেন যে বের হতে পারছেন না। Continue reading “সফলতার “সফল লতা””

ভাবনা আমার ভাবায় যখন

মনে নেওয়া, আর মেনে নেওয়ার মধ্যে যোজন যোজন দূরত্বের পার্থক্য। পাশে বসলেই তো আর কাছে যাওয়া হয় না। আঙ্গুলের ফাঁকের মধ্যে আঙ্গুল ঢুকে থাকলেও আপন হওয়া যায় না। এক সাথে ভাবনা ভাবলেই এক সাথে বাঁচা যায় না। দৃশ্য ও দৃশ্যমান অনেক পজেটিভ নেগেটিভ প্রভাবক থাকে এইসব সুক্ষ্মতম বিভাজনে। কপাল বলে কিছু নেই। সবই কর্মফলের বার্ষিক পরীক্ষার রেজাল্ট। তবুও আমাদের অক্ষমতা আর অপারগতাগুলোকে কপালের উপর দিয়েই পার হয়ে যাই। নিতান্তপক্ষে উপেক্ষা করা যায় না বলেই আমরা নীতি আর দুর্বলতার গল্প বলি।

নিজের গল্পে নিজেকে হিরো বানাই, বাকি সবার খাতায় বিশাল বিশাল জিরো বসিয়ে দিয়ে। Continue reading “ভাবনা আমার ভাবায় যখন”

ডুব

জগত চায় আপনি একা থাকুন। আপনাকে একা হিসেবেই তৈরি করা হয়েছে। আর আপনি অসহায়ের মতন আঁকড়ে ধরছেন এখানে সেখানে এ মানুষ সে মানুষ। এ ছেড়ে যায়, আপনার বুক ভেঙ্গে আসে। সে আরেকজনের হাত ধরে আপনি কাঁদতে বসেন। ন্যাচারাল ল এর বাইরে গেলে দুঃখ পেতে হবেনা? একলা চলতে পারছেন না কেন? সমস্যাটা কোথায়? সকালের লম্বা ছায়া দুপুর বেলা এসেই কেমন শূন্যে মিলিয়ে যাচ্ছে, দেখননি? মানুষ সামাজিক জীব, এরকম খেলো সস্তা রসিকতা বিশ্বাস করে ঠকেছেন? মানুষ একটা একলা জীব, বেয়াদব জীব, যা খুশি তাই করে অস্বিকার করা জীব।

অনুভুতিকে বিশ্লেষণ করে দেখুন মস্তিষ্কের প্রতিটি নিউরন খুব অদ্ভুত ভাবে সারা দিচ্ছে। চোখটা একটিবার বন্ধ করে দেখুন কি মায়াবী মুখ। Continue reading “ডুব”

পরীর গল্প

অথচ কী অদ্ভুত! আমি এখনো অপেক্ষায় আছি প্রতিক্ষার চাঁদর গায়ে পরে দরজার সিটকিনি খুলে। সে আসবে বলে। তার অভিমানের পাহাড় বরফ হয়ে সে ছুটে আসবে দূরপাল্লার যানে চেপে অতি ভোরে।
– ‘তোমাকে ছাড়া কি থাকা যায়?’
বলেই বুকের ভেতর সেই আগের মতই ঝাঁপিয়ে পড়ে। নাক ঘষবে আমার লোমশ বুকে। আমি দু হাতে তার মুখখানা ধরে কপালে চুম্বন এঁকে দিয়ে বলবো,
– বাবু, ভালবাসি তোমায়। অনেক।

দুরত্বের সম্পর্কে বোঝা যায় না, অদৃশ্য দেয়ালে ওপারে থাকা Continue reading “পরীর গল্প”

ভাঙ্গা মন নিয়ে তুমি আর কেঁদো না

তুমি কখনো পূর্নিমার রাতে বৃষ্টিতে ভিজেছো? ছাদে দাঁড়িয়েও হয়তো বৃষ্টিতে ভিজেছো, তাই না? তখন কি রাত ছিলো? খোলা আকাশের নিচে, পূর্নিমা বা অমাবস্যায়? হয়তো লোডশেডিং ছিলো। অথবা ছাদে নও, খোলা মাঠে দাঁড়িয়ে বৃষ্টিতে ভিজেছো। তোমার চুল বেয়ে পানি মিশে গিয়েছিলো ধরনীতে। আচ্ছা, সেদিন কি তোমার মনে খুব কষ্ট ছিলো? তোমার বুকের ভেতর কিছু কি পাক খেয়ে কিংবা তোমার গলায় ভারী কিছু কি দলা বেঁধে ছিলো? আচ্ছা তুমি কি পূর্নিমার সেই বৃষ্টিস্নাত রাতে কাঁদছিলে? আচ্ছা, তুমি কি আঙ্গুলের ফাঁকে আঙ্গুল গুঁজে দেয়ার মানে জানো? তুমি কতখানি গুনতে পারো? কখনো কি চেষ্টা করেছো জলপ্রপাত হয়ে ভেসে যেতে? পড়ন্ত বিকেলে কি বাঁশির সুর তোমায় পাগল করে? অথৈ জোছনা না জোনাকি পোঁকা? রাত গভীর হলে কার ছায়া খুঁজো তুমি? Continue reading “ভাঙ্গা মন নিয়ে তুমি আর কেঁদো না”

Page 1 of 5112345...102030...Last »