বিশ্বজোড়া ফাঁদ আমার

সেসব কোনো এক সোনালী অতীতের কথা। তখন আমরা জানতাম ‘ট্যাবলেট’ হল এক ধরনের গোলাকার বস্তু যা শরীর- টরীর খারাপ হলে লোকে বাধ্য হয়ে গেলে, ‘ডিক’ হল গিয়ে টমের ছোটবেলার বন্ধু, কেউ ‘ফলো’ করছে মানেই সন্দেহজনক ব্যাপার আর ‘ফেস’ এর সাথে ‘বুক’ (মন্দ কথা ভাববেন না) মানে বইয়ের কোন সম্পর্ক নেই। অর্থাৎ “ডোন্ট জাজ আ বই বাই ইটস্‌ কাভার”। তারপর নর্দমা দিয়ে প্রচুর মল বয়ে গেছে, ঢাকা তিলোত্তমা বা মিস্‌ বাংলাদেশ বা মিস্টার লন্ডন কিছুই হতে পারেনি কিন্তু আমাদের অভিধানে বিস্তর নতুন শব্দাবলী সংযোজিত হয়েছে। আর যেমন দাড়িদাদু বলে গেছেন বহু বছর আগে “বিশ্বজোড়া ফাঁদ পেতেছ, কেমনে দিই ফাঁকি” আমরা হুবহু তেমনিভাবেই আন্তর্জালের ফাঁসে আট্‌কে পড়েছি।

বেরোনোর পথ নেই, আর বেরোলে বেঁচে থাকাই মুশকিল হয়ে দাঁড়াবে কারণ Continue reading “বিশ্বজোড়া ফাঁদ আমার”

আমরা ফিরব কবে

বলো না কি অপরাধে?
বলো কি আশায়?
আমাকে কাঁদালে তুমি বিরহ ব্যথায়!

“সাপকে বিশ্বাস করো তবু নারীকে না” – এই কথাটি কতটুকু সত্য তা জানি না। তবে একটি মেয়ে কখন বিশ্বাসঘাতকতা করে তা কি একটিবারের জন্যও আমরা জানার চেষ্টা করেছি? প্রেমে ব্রেকআপ হলেই ছেলেটি মেয়েটিকে দোষা দেয় আর মেয়েটি ছেলেটিকে! ব্রেকআপ হওয়ার কারনটি কেউ জানে না কিন্তু কার দোষ কতটুকু তা উভয়েই মনে রাখে, সুখের কাহিনী ভুলে গিয়ে কষ্টের কাহিনী মনে রাখে। কিন্তু একটি ব্রেকআপের পিছেনে মূলত কী ঘটনা লুকিয়ে আছে সেটা যদি কেউ বের করতে পারতো তবে আশি ভাগ প্রেম পুনরায় জোড়া লাগতো। Continue reading “আমরা ফিরব কবে”

ক্ষুদে সান্ধ্যবার্তা

এই শহরে কোন এক আকাশ ছোঁয়া দালানের ওপাশে টুপ করে ডুব দেয় সূর্য। হাঁটতে হাঁটতে হয়তো চোখে পড়ে কখনো। অলিগলিতে সন্ধ্যা নামার আগেই সন্ধ্যা নামে। বিরামহীন একটানা হাওয়ায় ভাসতে ভাসতে পথ হারিয়ে ফেলে একে অন্যকে দেয়া ক্ষুদে সান্ধ্যবার্তা গুলো। কেবলই মনে হতে থাকে কাউকে কাছে পাবার আকাঙ্খা ছিলো। বলা হয়নি। পাওয়া হয়নি। ছুটে যাওয়া তারা দেখে চাওয়া হয়নি। আরো গভীরে গেলে গভীর অন্ধকারও হারিয়ে যাবে। তবুও এতোকিছু ভাবতে নেই। ক্ষিধে লাগলে খেয়ে নিতে হয়। ঘুম পেলে ঘুমিয়ে যেতে হয়।

ইচ্ছে হলে কখনো সখনো ছাদের কোনে চুপচাপ বসে থাকতেও বাঁধা নেই। Continue reading “ক্ষুদে সান্ধ্যবার্তা”

আমি

★ আমি যদি পতিতাবৃত্তি নিয়ে কোন আর্টিকেল লিখি নিশ্চই আমি পতিতা নই।
★ যদি হিজড়াদের নিয়ে কোন লিখা শেয়ার দেই তারমানে আমি হিজড়া হয়ে যাইনি।
★ লেসবিয়ান বা গে নিয়ে কোন ডকুমেন্টারি ক্লিপ আমাকে কৌতুহলী করলেও দুটোর একটাও কিন্তু আমি নই।
★ এইডস নিয়ে লিখলেই কি আমার এইডস আছে নাকি? আজব!
★ যদি আমি মন খারাপ নিয়ে দুটো কথা আউড়াই তারমানে আমার সংসারে কোন সমস্যা ঘটেনি। অনেক সময়, অনেকদিনের না দেখা মায়ের মুখখানির জন্যও আমার যে মন পোড়ায় এ সমাজের তথাকথিত শুভাকাঙ্ক্ষীগন সহজভাবে এ বিষয়টা হয়ত ভাবতেই পারেনা।
★ ডিভোর্স, এডাপশন, সেকেন্ডলি মেরিড, সেপারেশন, ব্রোকেন ফেমিলি – Continue reading “আমি”

অন্ধকারের গান

অল্প অল্প করে গল্প পোকায়
খেয়ে রাখা মগজ,
পেতে চেয়েছিল তোমাকে আরো
একটুখানি সহজ।
“ভালো নেই” এই ছোট্ট কথাটা বলা মাত্রই একরাশ প্রশ্ন আর এক পাহাড় সমান বিশাল উদ্বিগ্নতা এনে দেয় মুহূর্তের মধ্যেই। প্রশ্নের ডালপালা শাখা-প্রশাখা ছড়িয়ে এক মুহূর্তে তৈরি করে ফেলতে পারে একটা বিশাল বড় অধ্যায়। অথচ “ভালো আছি” বলা মাত্রই মুহূর্তের মধ্যেই পরবর্তি প্রশ্নে চলে যাওয়া যায়। কথাটার কী অসামান্য জোর, তাই না? কেউ খুঁজেও দেখে না কথাটা আসল না নকল? সঠিক না ভুল? তাই হাসিমুখে বলা আর কান পেতে শোনো হয় – “আমি ভালো আছি”। Continue reading “অন্ধকারের গান”

ডেস্পো ডিপ্রো

ডিপ্রেশন থেকে শক্ত হয়ে ওঠা মানুষ গুলোকে কখনো কারো সামনে দাঁড়িয়ে থেকে কাঁদতে দেখবেন না। বরং তাদের কে সারাদিন প্রাণোচ্ছল হাসিখুশি দেখবেন। আপনার পাশে থেকে আপনাকেই সাহস যোগাতে দেখবেন। প্রাণ খুলে হাসার অভিনয়টা তারা পুরোদমে শিখে ফেলে। নিজেকে পৃথিবীর সবচেয়ে সুখী মানুষ হিসেবে সবার কাছে নিজেকে উপস্থাপন করতে জানে। এরা একা কাঁদে লুকিয়ে। গভীর রাতে। সবার সামনে হাসতে হাসতে এরা যখন খুব মানসিক ভাবে টায়ার্ড ফিল করে তখনই কাঁদে। কান্নাটা কিন্তু শুধু রাতের অন্ধকারের জন্যই বরাদ্দ। সকালে সূর্য উঠার সাথে সাথে এরা আবার মোটিভেট হয়।আবার সেই প্রাণোচ্ছল হাসিমাখা মুখ নিয়ে সবার সামনে গিয়ে উপস্থিত হয়। কোনোভাবে একবার ডিপ্রেশন কাটিয়ে উঠতে পারলে,সেই মানুষগুলোকে আর কেউ কোনো কিছুতেই দমাতে পারেনা।তাই জীবনে একবারের জন্য হলেও কঠিন ডিপ্রেশনে ভোগা উচিত। Continue reading “ডেস্পো ডিপ্রো”

Page 2 of 5112345...102030...Last »