ফ্লার্ট

ছেলে – ‘আপনার বিএফ কি প্রাইভেট ভার্সিটিতে পড়তো?’
মেয়ে – ‘জ্বী।’
ছেলে – ‘এরজন্যই আপনি প্রেমের মজা পান নি। আপনার কোন সরকারি প্রতিষ্ঠানের ছাত্রের সাথে প্রেম করা দরকার ছিলো।’
মেয়ে – ‘কেন এমন মনে হলো?’
ছেলে – ‘ডেটে কোথায় গেছেন? রেস্টুরেন্ট, শিশাবার কিংবা কক্সবাজারের কোন ফাইভ স্টার হোটেলে? কিংবা নির্জন রাস্তায় গাড়ির কাঁচ তুলে মেকাউট। কিন্তু আপনি যদি আমার মতো কোন সরকারি প্রতিষ্ঠানের ছাত্রের সাথে প্রেম করতেন – তবে আপনি জানতেন দশ টাকায় ক’টা বাদাম দেয়, গোলাপের ঘ্রাণ কেমন, নীলক্ষেতের ফুচকার স্বাদ কেমন, হুড খোলা রিকশায় বসে বৃষ্টিতে ভিজতে ভিজতে চুম্বন কতোটা মিষ্টি।’

মেয়ে – ‘ফ্লার্ট করছেন?’ Continue reading “ফ্লার্ট”

জনতার মাঝে নির্জনতা

শোনেন, আমি আপনার সব কথা মুখে বিশ্বাস করলেও অন্তরে করিনা। আমাকে যদি বোকা ভাবেন তাহলে বিরাট ভুল। আর সেই ভুলটা আপনার নিজের, আমার না। আমি বেখেয়ালি। আবার সামান্য আবেগী মানুষ ও বটে। মাঝে মধ্যে জোকারি করি। কাউকে হাসতে দেখলে বা হাসাতে পারলে আত্নতৃপ্ত হই। তাই বলে আমি বোকা না। প্রচন্ডরকম কল্পনা বিলাসী মানুষ আমি। এই জগতটাতেই আমি থাকতে চাই। আমি এটাও জানি, কর্ম জীবনে আমি মারাত্নক রকমের অসফল এমজন মানুষ।আমার অতীত, বর্তমান, ভবিষ্যত সবই অন্ধকার। এই অন্ধকারকেই আমার শান্তির জগৎ বানিয়ে নিয়েছি। তবে উজ্জ্বল ভবিষ্যতের জন্য পরিশ্রমটা আমাকে দিয়ে হবে। সেই সাথে বেঁচে থাকার জন্য একটু ভাল-মন্দ খাবার যোগাতে পারলেই আমি খুশি।

তবে এই খাবারটা যোগাড় করা না লাগলে আমি হয়তো কিছুই করতাম না। Continue reading “জনতার মাঝে নির্জনতা”

লুদমিলা পাভলিউচেঙ্কো: লেডি ডেথ (দ্বিতীয় পর্ব)

একজন লুডমিলা পাভলিচেঙ্কো এবং ৩০৯ জন জার্মান
কিন্তু লুডমিলা পাভলিচেঙ্কো নামে এক নারী স্নাইপার ছাড়িয়ে গিয়েছেন সবাইকে। এই নারী একাই জার্মানের শিবিরে থাকা সৈনিকদের রক্ত হিম করে দিয়েছেন। তিনি একাই ৩০৯ জন জার্মান সেনার জীবন কেড়ে নিয়েছেন, যাদের মধ্যে আছে ৩৬ জন দক্ষ জার্মান স্নাইপারও। অসামান্য এই দক্ষতার কারণে জার্মান সৈনিকদের মাঝে লুডমিলা পরিচিত ছিলেন ‘লেডি ডেথ’ নামে। লুডমিলা পাভলিচেঙ্কো শুধু সোভিয়েত ইউনিয়নের নয়, সারা বিশ্বের সবচেয়ে সফল স্নাইপারদের একজন আর পৃথিবীর সেরা নারী স্নাইপার।

স্কুলজীবনে শখের বশে শার্প শুটিংয়ের হাতেখড়ি লুডমিলার। পড়াশোনার চেয়ে খেলাধুলাই তাকে বেশি টানতো। কিন্তু বাবা-মায়ের চাপে স্কুল-কলেজ শেষ করে ১৯৪১ Continue reading “লুদমিলা পাভলিউচেঙ্কো: লেডি ডেথ (দ্বিতীয় পর্ব)”

লেখক পাঠক বিভ্রাট

বাজারে আলু পটল কিনতে পাওয়ার মতো কমনসেন্স কিনতে পাওয়া গেলে কিছু মানুশকে নিজের টাকায় বেশ কিছু কমনসেন্স কিনে দিয়ে তাদের নন-সেন্সের অভাব ঘুচাতাম। কোন এক বিখ্যাত ফেবু গ্রুপে নিজের জীবনি শেয়ার দিছিলাম। একজন আইসা কইলো লেখার নিচে “কপি পেষ্ট নয়তো সংগৃহিত” কথা লিখতে। আমিও তারে জিগাইলাম, নিজের লেখায় নিজেই ক্যান “কপি পেষ্ট নয়তো সংগৃহিত” লিখুম? সাথে স্ক্রিন শট সহ প্রমান ও দিলাম এই লেখাটা প্রথম প্রকাশ পায় একটা অনলাইন ব্লগে তাও আবার গত ০৮/০৬/২০১৬ ইং তারিখে। Continue reading “লেখক পাঠক বিভ্রাট”

সুহাসিনী সমিপেষু

একমুখী রাস্তাটার মোড়েই ডাকবিভাগের ডাকবাক্স। কতশত মানুষের কত স্মৃতি এর ভেতর। অপেক্ষা আর প্রাপ্তির যুগল এক স্মৃতিধার। অনেকদিন হলো এ পথে মনে হয় না, ডাকপিয়নের পদচিহ্ন পড়ে! তালাটাতেও জং পড়েছে। নীল খামে ভরা চিঠিগুলো পড়ে আছে ভাঙাচোরা ডাকবাক্সে। ভাঙা ফাঁক ফোকর দিয়ে চিঠিগুলো উঁকিঝুঁকি দিচ্ছে। প্রাপক পাঠিয়ে সে হয়তো অপেক্ষা করছে উত্তরের আশায় –
‘…তোমার পত্র পেয়েছি। আমি ভাল আছি, আশা করি তুমিও ভাল আছো..।’
শেষ কবে আমার দরজাকবাটে চিঠি হাতে ডাকপিয়ন এসে কড়া নেড়েছে, মনে পড়ে না। ‘আপনার চিঠি’ এমন বাক্যও আর কানে বাজে না। টাইম মেশিনের পাগলাঘোড়ায় চেপে মাঝেসাজেই পেছনে যেতে চাই। যেতেও পারি তবে ফিরে আসতে হয় শূন্য হাতে। Continue reading “সুহাসিনী সমিপেষু”

যায় দিন যায়

এক কৃতদাসকে কিনে নিয়ে এলেন বাড়ির মালিক। মালিক তাকে খেতে দেন তবে সকাল বিকাল মারেন। একদিন ওই দাস মালিককে বললেন,
– আমাকে বেঁচে দেন, এত কষ্ট আর সহ্য হয় না।
মালিক বেঁচে দিলেন, দাস গিয়ে পড়লো অন্য মালিকের হাতে। নতুন মালিক তিনবেলা মারেন, একবেলা খেতে দেন। দাস আবারও তাকে বিক্রি করে দিতে বললেন। বিক্রি হলেন। এবারের মালিক খেতে দেন না একবেলাও কিন্তু তিনবেলা মারেন। এ অবস্থা দেখে এক লোক ওই দাসকে জিজ্ঞেস করলেন,
– ‘কী এখন আর বিক্রি করে দিতে বলো না?’
দাস দীর্ঘশ্বাস ছেড়ে বললেন, Continue reading “যায় দিন যায়”

Page 2 of 27012345...102030...Last »